রবিবার, ০৫ Jul ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
উপজেলার বাঙালিপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর এলাকা থেকে মুলা বিক্রি করতে আসা ৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ১৬ শতক জমিতে মুলার চাষ করেছি। আজ প্রথম হাটে মুলা বিক্রি করতে এসেছি। কিন্তু ক্রেতা নেই। বাজারে মুলা বিক্রি করতে এসে বিপাকে পড়েছি। ক্রেতা না থাকায় ২ টাকা কেজিতে মুলা বিক্রি করেছি।
বাজারে এখন আলু, বেগুন, পেঁয়াজের চাহিদা থাকলেও মুলাসহ অন্যান্য সবজির ক্রেতা নেই বললেই চলে। করোনাকালে ক্রেতার অভাবে প্রতি কেজি মুলা ২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে হতাশায় ভুগছেন কৃষকরা।
বাজারে মৌসুমী শীতের সবজির দাম কমেছে। বর্তমানে ফুলকপি ২৫, পাতাকফি ৩০, বরবটি ৫০, সিম ৮০, করলা ৫০, গাঁজর ১০০, বেগুন ৩০ ও লাউ পিস প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। এছাড়া বাজারে ওঠা নতুন আলু ৭০ ও পুরোনো দেশি আলু ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।