সোমবার, ০৬ Jul ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন
এসব পাখি দেখতে ভিড় করছে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। এদিকে পাখিদের এই আবাসস্থল নিরাপদ রাখতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
চলনবিল অঞ্চলের তাড়াশ উপজেলার করতোয়া নদীর শাখা খালে হাজার-হাজার অতিথি পাখির কল কাকলীতে মুখরিত এখন পুরো এলাকা।এর আগে পর্যাপ্ত অতিথি পাখির আনা-গোনা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরেই এক শ্রেনীর অসাধু শিকারীর অত্যাচারে চলনবিল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল এ সব পাখি। এখন ভালবাসার টানে আবারও এসব পাখি আসতে শুরু করেছে চলনবিলে। এলাকার মানুষের ভালবাসায় পাখিরা যেন ফিরে পেয়েছে আপন ঠিকানা।
নদীর পানিতে দলে-দলে বালিহাঁস পানকৌড়ি, বড়ো পানকৌড়ি, সাদা বক, ধুসর বক ও মাছরাঙ্গা সাঁতার কেটে বেড়াচ্ছে। দুর দুরান্ত থেকে এসব পাখি দেখতে ছুটে আসছেন পাখি প্রেমিরা। শিকারীদের অপতৎপরতা বন্ধ করে পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আখতারুজ্জামান ভুঁইয়া বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতই যদি চলনবিলেও পাখির অভয়াশ্রম গড়তে পারলে ভালো হবে। এই অতিথি পাখি একবার এলে বারবার আসতেই থাকে তবে এতে এলাকাবাসীরও সহযোগীতা প্রয়োজন।
সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে বৃহত্তর চলনবিল অঞ্চল হতে পারে পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল।