শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

এবার আসবে অ্যাপলের ‘আই কার’

২০১৭ সালেই ক্যালিফোর্নিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব মোটর ভেহিকেলস থেকে স্বয়ংক্রিয় গাড়ি পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালনার অনুমোদন পায় অ্যাপল। তবে জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফোক্সওয়াগেনের প্রধান নির্বাহী হার্বার্ট ডিস এ নিয়ে বেশ বিচলিত।

যদিও তা প্রকাশ না করে তিনি বলেন, রাতারাতি বৈদ্যুতিক গাড়ি বাজারে আনতে পারবে না অ্যাপল। তিনি বলেন, বৈদ্যুতিক স্বয়ংক্রিয় গাড়ি তৈরি মানে গাড়ির সঙ্গে প্রযুক্তিকে সম্পৃক্ত করা, যেটি খুব সহজ কাজ নয়।

আশার কথা হলো, বিশ্বের বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজার এখন ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের। এই বাজারে কোটি ডলারের কোম্পানি অ্যাপলের প্রবেশ মানেই ভিন্নধর্মী কিছু আসবে।

এদিকে ফোক্সওয়াগেনের পরিকল্পনা অনুযায়ী বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে একচ্ছত্র আধিপত্য থাকবে তাদের। কোম্পানিটি মহামারির বছরে ২ লাখ ৩১ হাজার বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রি করেছে। যেখানে এলন মাস্কের টেসলাও পারেনি এত বেশি বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রি করতে।

টেসলা বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রি করেছে ফোক্সওয়াগেনের অর্ধেকেরও কম। তবে জার্মানির অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রির চাঙাভাব আছে বৈদ্যুতিক গাড়ির কারণেই। আর তাই ফোক্সওয়াগেন কর্তৃপক্ষ বলছে, অ্যাপলের অনেক আগেই বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজার ধরে ফেলেছে ফোক্সওয়াগেন।

তবে বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির জন্য অ্যাপলকে নিতে হবে অন্য কোনো কোম্পানির সহায়তা। পরিকল্পনা শুরুর অনেক পরে অ্যাপল জানায় যে, ২০২৪ সালেই বাজারে আসবে তাদের বৈদ্যুতিক গাড়ি। তবে গুজব আছে, বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি প্রকল্পের নাম অ্যাপল কার বা প্রোজেক্ট টাইটান। অনেক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানই অ্যাপলের সঙ্গে চুক্তিতে আসতে চায়। প্রাথমিকভাবে এক লাখ স্বয়ংক্রিয় গাড়ি তৈরির জন্য ৩৬০ কোটি ডলারের চুক্তি করতে চায় অ্যাপল।

অ্যাপলের গাড়িতে যে ব্যাটারি থাকবে, তা অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব হবে বলেও জানা গেছে। তবে অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের ব্যাটারি থেকে অ্যাপলের গাড়ির ব্যাটারি ভিন্ন হবে। গাড়ির নাম হতে পারে আই কার। অন্য যে কোনো বৈদ্যুতিক গাড়ির চেয়ে অ্যাপলের গাড়ির দাম হবে অনেক বেশি। জর্জিয়াতে ৩০০ কোটি ডলারের নতুন প্ল্যান্ট তৈরি করে সেখানে বানানো হবে অ্যাপলের স্বয়ংক্রিয় গাড়ি। এ গাড়ি বাজারে আসবে ২০২৪ সালে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com