রবিবার, ০৫ Jul ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
সেতুটির দু’পাশে কোন সংযোগ সড়ক নেই। স্থানীয়রা সেতুর ওপর গরুর গোবর ও ভেজা কাপড় রোদে শুকানোর জন্য ব্যবহার করছে।
স্থানীয় সেলিম উদ্দিন, আজম আলী, সাজাহান সরকার, আরজিনা খাতুন ও পারভিনসহ অনেকে বলেন, ‘সেতুটি নির্মাণ করার সময় তারা বাধা দিয়েছেন। কিন্তু তা উপেক্ষা করা হয়। সেই থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।’
তারা আরও বলেন, ‘শরিফুল ইসলামের বাড়ি থেকে নাসির উদ্দিনের বাড়ির মাঝখানে উলশি খালের ওপর ছোট একটি সেতুর অভাবে যুগযুগ ধরে তারা নৌকায় করে ও পানিতে ভিজে এপার-ওপার যাতায়াত করছেন।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্র জানায়, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দে সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিকল্পে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯১৫ টাকা ব্যয়ে ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের এ সেতুটি নির্মাণ করা হয়।
সরেজমিনে রবিবার দেখা যায়, সেতুর ওপরে গরুর গোবর শুকানো হচ্ছে। দু’পাশেও একইরকম অবস্থা।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নূর মামুন দৈনিক ইত্তেফাক বলেন, ‘২০১৫-১৬ অর্থ বছরে তিনি তাড়াশ উপজেলার দায়িত্বে ছিলেন না। শরিফুল ইসলামের বাড়ি থেকে নাসির উদ্দিনের বাড়ির মাঝখানে উলশি খালের ওপর আরেকটি সেতু নির্মাণ করে দেওয়া হবে।’