শনিবার, ০৪ Jul ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
অনেকগুলো বিষয়কে বিবেচনা করা হয়। তবে প্রধাণত যে কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব দেয়া হয়-
এক. প্রতি বছর কী পরিমাণ গবেষণা আর্টিকেল প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত আর্টিকেলগুলোর আন্তর্জাতিক স্কেলে মান। এই আর্টিকেলগুলো কতোবার সাইট করা হয়—মোট সাইটেশন নাম্বার।
দুই. স্টুডেন্ট-ফ্যাকাল্টি অনুপাত। যেমন, প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট-ফ্যাকাল্টি অনুপাত হলো ৫:১।
তিন. প্রতি বছর কি পরিমান ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়া হয়।
চার. ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষক ও ছাত্র সংখ্যা কেমন। দুনিয়ার যেসব প্রতিষ্ঠানগুলো র্যাঙ্কে এগিয়ে থাকে তাদের ক্যাম্পাসে একটা ডাইভারসিটি দেখা যায়। বহু দেশের স্টুডেন্টরা এসে পড়াশুনা করে। গবেষণা করে।
পাঁচ. আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে কতো সংখ্যক স্টুডেন্ট জব পায়, সেটা বিবেচনা করা হয়। এটা মূলত ইঙ্গিত করে যে একটা প্রতিষ্ঠান তরুণদেরকে কেমন মানের যোগ্য করে তুলছে। আমি যে বারবার বিশ্বমানের তারুণ্যের কথা বলি—এ জন্যই। আমাদের ইউনিভার্সিটিগুলো থেকে স্টুডেন্টরা পাশ করে বের হয়েই যদি সরাসরি আন্তর্জাতিক যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেগুলোতে চাকরি পায়, তাহলে বুঝতে হবে আমাদের ইউনিভার্সিটিগুলোতে বিশ্বমানের পড়াশুনা ও গবেষণা হচ্ছে।
ছয়. পড়াশুনা এবং গবেষণার মান সম্পর্কিত “একাডেমিক রেপুটেশন” জরিপ করা হয়।
বিভিন্ন অর্গানাইজেশনের র্যাংকিং একই রকম হয় না। অবশ্যই কিছু হেরফের হয়। কিন্তু তাই বলে, কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি যদি কোন তালিকায় দশম হয় অন্য তালিকায় একশো হবে না।