শনিবার, ০৪ Jul ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
করোনায় দেশে ৭৯ ভাগ পরিবার আর্থিক সঙ্কটে। ৮০ শতাংশ খাদ্য ব্যয় কমিয়েছে। তারওপর খাদ্যমূল্য স্ফিতিকে দুঃচিন্তার বিষয় বলছেন এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আজ একথা জানান, সংগঠনের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। বাজেটে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কোনো সুষ্ঠ পরিকল্পনা নেই বলে মনে করেন সুলতানা কামাল।
করোনা মহামারির কারণে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ায় কমেছে মানুষের আয়। এতে বেড়েছে দারিদ্রর হার। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের গবেষণায় বলা হয়, শিল্প প্রতিষ্ঠানে মজুরি ৬ শতাংশ থেকে কমে ৫ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আর্থিক সঙ্কটে ৪৭ শতাংশ মানুষ আমিষ খাওয়া কমিয়ে দিয়েছে। অপরদিকে, বছরের ব্যবধানে খাদ্যমূল্য স্ফিতি ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ শতাংশের বেশি। এতে পিছিয়ে পড়া মানুষের ওপর চাপ বাড়বে।
করোনা টিকার ক্ষেত্রেও পিছিয়ে পড়া মানুষগুলো অবহেলিত। টিকা সরবরাহের ঘাটতি কমাতে জিডিপির শূণ্য দশমিক ৫ শতাংশ ব্যয়ের পরামর্শ নাগরিক প্ল্যাটফর্মের। করোনা পরিস্থিতিতে বাজেটে প্রয়োজনীয় খাতগুলোতে অগ্রাধীকার দেয়া হয়নি। এতে সাধারণ ও দরিদ্রদের বিবেচনায় আনা হয়নি বলেও মনে করেন বিশ্লেষকরা।
করোনায় দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়াদের ঘুরে দাঁড়াতে সঠিক আর্থিক প্রণোদনা ও খাদ্য সহায়তার ওপর জোর দেন বিশ্লেষকরা। কর্মসংস্থান বাড়াতে মুদ্রানীতিতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তারা।