শুক্রবার, ০৩ Jul ২০২৬, ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন
বর্তমানে গড়ে দৈনিক ঘাটতি ১৩০ কোটি ঘনফুটে পৌঁছেছে। সংকট দূর করতে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি শুরু হলেও এখন পর্যন্ত সক্ষমতার শতভাগ ব্যবহার করা যায়নি।
বিশ্ববাজারে এলএনজির মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আমদানির পরিমাণও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে গ্যাস-সংকটে দেশের শিল্প উৎপাদন কমে যাচ্ছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। সিএনজিচালিত যানবাহনের চলাচল কমে গেছে। হ্রাস পেয়েছে কৃষির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সার উৎপাদনও। গ্যাস-সংকটে ভুগছে বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশে শিল্প উৎপাদন বাড়ছে। এজন্য যে পরিমাণ গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চয়তা থাকা দরকার তা নেই। বিদ্যমান দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পেয়ে হতাশা-ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একপর্যায়ে গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে এলএনজি আমদানি শুরু করে সরকার। কিন্তু দৈনিক ১০০ কোটি ঘনফুট সরবরাহের সক্ষমতা থাকলেও তা কখনো ৭৫-৮০ কোটি ঘনফুটের বেশি যায়নি।