সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
খালেদা জিয়া মুক্ত আছেন বলেই মুক্তভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন : আইনমন্ত্রী নতুন প্রজন্মের জন্য “চিরঞ্জীব মুজিব” এর মতো আরো চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণের বিষয়ে জাতিসংঘে প্রস্তাব গ্রহণ মহান অর্জন : প্রধানমন্ত্রী ব্লু-ইকোনমির সুযোগ কাজে লাগাতে বিনিয়োগ করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান জাপান সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে : জাপানের ভাইস-মিনিস্টার বিআরটিসির সব বাসেই শিক্ষার্থীরা অর্ধেক ভাড়া সুবিধা পাবে ‘ওমিক্রন’ প্রতিরোধে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৪ সুপারিশ ওমিক্রনে দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত্যুহার দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে আর কোনো বিপদ ছাড়াই দিন শেষ করল বাংলাদেশ ‘ওমিক্রন’ নিয়ে দেশের সব প্রবেশপথে সতর্কবার্তা

পানি বিক্রি করে জ্যাক মা’কে টপকে শীর্ষ ধনী শানশান

চীনের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে নাম উঠেছে বোতলজাত পানি বিক্রেতা ঝং শানশানের। বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেল।

আলিবাবার সহ-প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা এতদিন দেশটির শীর্ষ ধনী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি চীন সরকারের একাধিক অভিযোগের মুখে পড়েছেন। মাঝে তার ‘নিখোঁজ’ সংবাদও দিয়েছিল কোনো কোনো মিডিয়া। তারপর এলো শীর্ষস্থান হারানোর খবর।

ঝং তার ষাট বছরের এসে নংফু স্প্রিং মিনারেল ওয়াটার ও ওয়ানতাই বায়োলজিক্যাল ফার্মেসি এন্টারপ্রাইজের মধ্যে সৌভাগ্যের দেখা পান। তার চাহিদাসম্পন্ন পণ্যের মধ্যে রয়েছে কভিড-১৯ টেস্ট কিট।

হুরুন রিচ লিস্ট অনুসারে ঝং শানশানের সম্পত্তির মূল্য ৬০৫০ কোটি ডলার। আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে ৭ শতাংশ।

গত বছর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন ঝং। সাম্প্রতিক সময়ে সাম্য ব্যবস্থার নামে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি সরকার টাইকুনদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পুনর্বন্টন করেছে। সে সুযোগ নিয়ে ধনীর তালিকায় ওপরে ওঠে এসেছেন ঝং।

আগের বছর শীর্ষে থাকা জ্যাক মা’র সম্পত্তি ৩৬ শতাংশ কমে ৩৯৬০ কোটি ডলার হয়েছে। তিনি আছেন তালিকার পঞ্চম স্থানে। গত বছর চীনের বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার সমালোচনার কারণে মা ও আলিবাবা সরকারি তোপের মুখে পড়ে। এরপর একাধিক অভিযোগ আনা হয়। জ্যাক মা’র প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যান্ট গ্রুপের ৩৭০০ কোটি ডলারের প্রস্তাবকে সাসপেন্ড করতে সরাসরি নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা শীর্ষ ভিডিও গেমিং কোম্পানি ও উইচ্যাটের মালিকা পেনি মা নেমে এসেছেন তালিকার চতুর্থ স্থানে। ভিডিও গেমের ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞার কারণে তার সম্পদ কমেছে ১৯ শতাংশ। এখন দ্বিতীয় স্থানে এসেছেন টিকটকের প্রতিষ্ঠাতা ঝাং ইয়েমিং।

হুরুন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তৈরি করা এ তালিকায় প্রথমবারের মতো শীর্ষ ১০ ধনীর মধ্যে আবাসন খাতের কেউ নেই। এ খাতের দানবীয় প্রতিষ্ঠান এভারগ্র্যান্ডে গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সু জিয়াইন। ২০১৭ সালে তালিকার শীর্ষে ও গত বছর পঞ্চম স্থানে ছিলেন তিনি। কিন্তু ৭০ শতাংশের কাছাকাছি সম্পদ হারিয়ে তালিকার ৭০তম স্থানে নেমে এসেছেন, সু’র সম্পদের পরিমাণ ১১৩০ কোটি ডলার।

সব মিলিয়ে গত এক বছরে চীনে ২০০ কোটি ইউয়ান বা ৩১ কোটি ডলার সম্পত্তি বেড়েছে ৫২০ জনের, যার মোট সংখ্যা এখন ২ হাজার ৯১৮ জন।

হুরুনের তালিকা বলছে, চীনে ইলেকট্রিক গাড়ির বাজার বাড়ায় অনেকের ভাগ্য খুলে গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com