সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
খালেদা জিয়া মুক্ত আছেন বলেই মুক্তভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন : আইনমন্ত্রী নতুন প্রজন্মের জন্য “চিরঞ্জীব মুজিব” এর মতো আরো চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণের বিষয়ে জাতিসংঘে প্রস্তাব গ্রহণ মহান অর্জন : প্রধানমন্ত্রী ব্লু-ইকোনমির সুযোগ কাজে লাগাতে বিনিয়োগ করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান জাপান সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে : জাপানের ভাইস-মিনিস্টার বিআরটিসির সব বাসেই শিক্ষার্থীরা অর্ধেক ভাড়া সুবিধা পাবে ‘ওমিক্রন’ প্রতিরোধে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৪ সুপারিশ ওমিক্রনে দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত্যুহার দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে আর কোনো বিপদ ছাড়াই দিন শেষ করল বাংলাদেশ ‘ওমিক্রন’ নিয়ে দেশের সব প্রবেশপথে সতর্কবার্তা

বাংলাদেশ ১২ বিলিয়ন ডলারের ১০টি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল করেছে : কপ২৬-এ প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের বিরুদ্ধে তার প্রচেষ্টাকে সম্পূরক করার জন্য ১২ বিলিয়ন ডলার বিদেশী বিনিয়োগের ১০টি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল করেছে। তিনি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (ইউএনএফসিসিসি) এর কনফারেন্স অফ দ্য পার্টিস (কপ২৬) এর ২৬তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় একথা বলেন। -ইউএনবি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের কাছে চার দফাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সম্প্রতি একটি উচ্চাভিলাষী এবং আপডেটেড এনডিসি ইউএনএফসিসিসিতে জমা দিয়েছে। বাংলাদেশে বিশ্বের অন্যতম বিস্তৃত অভ্যন্তরীণ সৌর শক্তি কর্মসূচি রয়েছে। আমরা আশা করি, ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের ৪০ শতাংশ শক্তি নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, আমরা ‘মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি, জলবায়ু দুর্বলতা থেকে জলবায়ু সমৃদ্ধির স্থিতিস্থাপকতার যাত্রা শুরু হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, ১.১ মিলিয়ন মিয়ানমারের নাগরিক বা রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার কারণেও বাংলাদেশ জলবায়ু প্রভাবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক নির্গমনের ০.৪৭ শতাংশেরও কম অবদান রাখলেও বাংলাদেশ জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার ২০০৯ সালে ‘বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড’ প্রতিষ্ঠা করেছে বলে শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা গত সাত বছরে জলবায়ু সংক্রান্ত খরচ দ্বিগুণ করেছি। বর্তমানে, আমরা জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা তৈরি করছি। তিনি বলেন, ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ) এবং ভি২০-এর চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশ ৪৮টি জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশের স্বার্থ নিয়ে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্লোবাল সেন্টার অফ অ্যাডাপটেশনস ঢাকার দক্ষিণ এশিয়া অফিসের মাধ্যমে আমরা আঞ্চলিকভাবে সেরা অনুশীলন এবং অভিযোজন জ্ঞান ভাগ করে নিচ্ছি। সিভিএফের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু জরুরী চুক্তি প্রতিষ্ঠারও চেষ্টা করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com