বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
জুলাই স্মরণে জামায়াতের ৩৬ দিনের কর্মসূচি অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

এলডিসি উত্তরণের পরও জিএসপি সুবিধা অব্যাহত রাখতে ইইউ’র প্রতি বিজিএমইএ’র আহ্বান

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) ২০২৬ সালে একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর, আরও ১০ থেকে ১২ বছর জিএসপি সুবিধা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে। বিজিএমইএর একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার বার্লিনে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রীর সংসদীয় স্টেট সেক্রেটারি (উপমন্ত্রী) ড. বারবেল কফলারের সঙ্গে সাক্ষাতকালে এ আহ্বান জানান। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়। বৈঠকে জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান এবং অন্য সদস্যরা ছিলেন সহ-সভাপতি মিরান আলী, পরিচালক ব্যারিস্টার বিদ্যা অমৃত খান, মো. ইমরানুর রহমান, নীলা হোসনা আরা এবং বিজিএমইএ স্থায়ী কমিটির ফরেন মিশন সেলের চেয়ারম্যান শামস মাহমুদ। বৈঠকে বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর মো. সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
তারা জার্মানির সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা উন্মোচন করতে জার্মানি ও বাংলাদেশের মধ্যে আরও সাহায্য ও সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান তার বক্তৃতায় জানান, বাংলাদেশ ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল  দেশে উন্নীত হবে এবং এর পর দেশটি তিন বছরের জন্য জেনারেলাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স (জিএসপি) সুবিধা পাবে। তিনি ১০ থেকে ১২ বছরের জন্য সুবিধাগুলো অব্যাহত রাখার জন্য ইইউকে অনুরোধ করেন। বিজিএমইএ সভাপতি বাংলাদেশের আরএমজি শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, সুযোগ, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যত অগ্রাধিকার সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বিশেষ করে প্রযুক্তি আপগ্রেডেশন, উদ্ভাবন এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে এর সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকে ক্রমবর্ধমানভাবে মনোযোগ দিচ্ছেন । বিশ্ববাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে শিল্পটি সিন্থেটিক ফাইবার থেকে তৈরি পোশাকের ওপরও বেশি জোর দিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের লক্ষ্য জার্মানিতে পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি করা এবং সে অনুযায়ী, এ বিষয়ে ডক্টর বারবেল কফলারের সহযোগিতা কামনা করে। জার্মানিকে একটি অমূল্য উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, আগামী বছরগুলোতে আরও সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে।
পরিদর্শনকালে, বিজিএমইএ দলটি জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি অফ ইকোনমি অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যাকশন (বিএমডব্লিউকে) ডমিনিক জুসামেনারবিটের (জিআইজেড) মহাপরিচালকের সঙ্গেও দেখা করে। তারা জার্মানির হামবুর্গে এশিয়া প্যাসিফিক বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের গোলটেবিল বৈঠকেও অংশ নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com