বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
জুলাই স্মরণে জামায়াতের ৩৬ দিনের কর্মসূচি অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসের আশংকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বসবাসকারীদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে

জেলায় গত কয়েকদিনের টানা ভারী বৃষ্টির ফলে পাহাড় ধসের আশংকা থাকায় শহরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদে সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
শুক্রবার রাত ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিসের টিম, রেড ক্রিসেন্ট, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে নিয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করে সেখান থেকে সাধারণ মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেতে নির্দেশনা প্রদান করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বেশ কিছু লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেন।
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আজ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ভারী বর্ষণের ফলে সম্ভাব্য সমস্যা ঠেকাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি জানান, আমরা ইতিমধ্যে জরুরি সভা করেছি এবং রাঙ্গামাটি শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যেতে সচেতনতা মূলক প্রচারণা ও মাইকিং করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবার সঙ্গে সমন্বয় করে টিম গঠন করে দেয়া হয়েছে এবং বৃষ্টি হলেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় যাচ্ছে।
ভারী বর্ষণের কারনে গতকাল রাত ১২টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত  রাঙ্গামাটি শহরের লোকনাথ মন্দির, শিমুলতলি, রূপনগর, মোনঘর এলাকাসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারিদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসক আরো জানান, প্রাথমিকভাবে রাঙ্গামাটি শহরে ২৮টি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জেলার অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও উপজেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com