বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
সরকার নির্ধারিত বাড়তি দামের ১৯টি জেনেরিকের ৫৩টি ওষুধের মধ্যে মাত্র দুটি জেনেরিকের কিছু ওষুধ বাজারে এসেছে। এর মধ্যে একটি হলো প্যারাসিটামল গ্রুপের ট্যাবলেট ও সিরাপ এবং মেট্রোনিডাজল গ্রুপের ট্যাবলেট। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দাম বেড়েছে প্যারাসিটামল গ্রুপের সিরাপের ৭৫ শতাংশ এবং ট্যাবলেটের ৫৪ শতাংশ এবং মেট্রোনিডাজলের দাম বেড়েছে ৩৩ শতাংশ।
ওষুধ বিক্রেতারা জানিয়েছেন, দাম বাড়বে বলে গত ২০-২২ দিন ধরে বাজারে প্যারাসিটামল গ্রুপের কিছু ওষুধ পাওয়া যাচ্ছিল না। খুবই অত্যাবশ্যকীয় এ ওষুধের জন্য রোগীদের বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। গত দু-তিন দিন ধরে বর্ধিত দামে পুনরায় ওষুধগুলো বাজারে ছেড়েছে কোম্পানিগুলো। সরকার নির্ধারিত ওষুধের বাইরে আরও কিছু ওষুধের দামও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ওষুধ বিক্রেতারা। তারা বলেছেন, গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কিছু ওষুধের দাম বেড়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মগবাজারের একটি নামকরা ফার্মেসির এক বিক্রেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, দাম বাড়ানোর আগে ওষুধ কোম্পানিগুলো প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। পরে দাম বাড়লে এসব ওষুধ বাজারে ছাড়ে। এরকম কিছু ওষুধের সংকট এখনো আছে। যেমন বেক্সিমকো কোম্পানির নাপা ট্যাবলেট। দাম বাড়াবে সেটা আরও ২০ দিন আগে থেকেই পরিকল্পনা করছে। ৮ টাকার এক পাতা নাপা এখন ১২ টাকা করেছে। ৫০ শতাংশ দাম বেড়েছে। গেল ২০ দিন হলো নাপা নিয়ে মানুষের অনেক ভোগান্তি হয়েছে। বাজারে ওষুধ ছিল না। অনেক জায়গায় ৮ টাকার নাপা ১৫ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। নাপা সিরাপ ২০ টাকা, সেটা বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। এটাও ৭৫ শতাংশ দাম বেড়েছে।
ওষুধের দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক ও মুখপাত্র আইয়ুব হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘যত কম মূল্যে ভোক্তাকে দেওয়া যায় সরকার সে চেষ্টা করে। আবার শিল্পকেও দেখতে হয়। অনেকে মনে করছে ওষুধের দাম বেড়ে গেছে। ১৯ জেনেরিকের ৫৩টা ওষুধের দামের পুনর্নির্ধারণ করে দিয়েছি। এখন কোম্পানিগুলো কত মূল্যে বিক্রি করবে, সেটা অনুমোদন নেবে। বেক্সিমকো ১ টাকা ২০ পয়সা প্যারাসিটামলের জন্য অনুমোদন নিয়েছে। এখন সে তার প্যাকেটে এটা লিখবে। আমাদের অনুমোদন ছাড়া কোম্পানি বর্ধিতমূল্য কার্যকর করতে পারবে না।’