বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
জুলাই স্মরণে জামায়াতের ৩৬ দিনের কর্মসূচি অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, ইলিশ শিকারে প্রস্তুত জেলেরা

বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিনের মাছ আহরণের নিষেধাজ্ঞা আজ শনিবার রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে।

ফলে মোংলার সুন্দরবন ও সমুদ্র উপকূলের জেলেরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য।

শনিবার দুপুরে উপজেলা চিলা, জয়মনি ও কানাইনগর এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, সমুদ্রগামী জেলেরা তাদের নৌকা, ট্রলার ও জাল প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন মৌসুম হওয়াতে গত ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে সকল ধরনের মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে মৎস্য অধিদপ্তর।

মাছের ডিম পাড়া, বংশ বিস্তার ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

শনিবার দিবাগত রাত ১২টায় উঠে যাবে এ নিষেধাজ্ঞা। ফলে জেলেরা রাত থেকেই মাছ শিকার করতে পারবেন সমুদ্রে।

মোংলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৩ সহস্রাধিক সমুদ্রগামী জেলে সাগরে যাওয়া প্রস্তুতি নিয়েছেন। এর মধ্যে নিবন্ধিত সমুদ্রগামী জেলের সংখ্যা ২৬৪০ জন।

জাতীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল শেখ জানান, ৬৫ দিনের অবরোধ শেষ হচ্ছে শনিবার রাত ১২টায়। দীর্ঘদিন এসব জেলেদের জাল, নৌকা ও ট্রলার ঘাটে পড়ে থেকে তস প্রায় নষ্টের উপক্রম হয়েছে। তাই সেগুলো তারা এখন মেরামত ও ধুয়ে মুছে সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের কানাইনগর গ্রামের জেলে রশিদ হাওলাদার, সোবহান মাতুব্বর, জাহিদ ব্যাপারী ও চিলা ইউনিয়নের কাটাখালীর আবজাল হোসেন এবং জয়মনির ওদিয়ার রহমান বলেন, ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকায় আমরা খুব কষ্টে জীবনযাপন করেছি। অবরোধ চলাকালে দুই দফায় ৫৬ ও ৩০ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা থাকলেও পেয়েছি মাত্র একবার ৫৬ কেজি। আর দ্বিতীয় দফার ৩০ কেজি কেউই এখনো পর্যন্ত পাইনি।

‘প্রথম দফায়ও সবাই পায়নি, সামান্য কেউ কেউ পেয়েছেন। আবার দুই দফার কোনটিই পাননি বেশির ভাগ জেলেরা। তারপরও অবরোধ শেষ হতে যাওয়া আমরা সবকিছু নিয়ে সাগরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com