রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল
অন্যান্য

প্রবাসীদের পাসপোর্ট ফি কমানোর চিন্তা করছে সরকার

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, সরকার প্রবাসীদের জন্য পাসপোর্ট ফি কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে।     সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে ‘আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটি’র read more

যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক অব্যাহত রাখবে : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

read more

ক্যাবল সার্ভিস ডিজিটালাইজেশনে শিগগিরই নীতিমালা আসছে : আরাফাত

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত আজ রাজস্ব আদায় বাড়াতে ও

read more

নতুন করে বাড়ি-গাড়ি করতে পারবেন না ঋণ খেলাপিরা

রবিবার (৪ ফেব্রুয়া‌রি) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়ে‌ছে। সভায়

read more

গাজায় আরও ১৫ ইসরাইলি সেনা নিহত

গাজায় মোটেও স্বস্তিতে নেই ইসরাইলি বাহিনী। থেমে থেমে গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধারা ইসরাইলি

read more

আট স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জনের প্রাণহানি

দেশের আট স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে বগুড়ায়

read more

দাম বাড়ালেও যশোরে ধান সংগ্রহ হয়েছে ৮ শতাংশ

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন সংগ্রহ মৌসুমে (২০২৩-২৪ অর্থবছর) জেলায় কৃষকের কাছ থেকে ৫ হাজার ২৮৩ টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জেলার খাদ্যগুদামগুলোয় ধান সংগ্রহ হয়েছে ৪১৮ টন। চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৮৭১ টন। এর মধ্যে সেদ্ধ চাল ১৪ হাজার ৪৬৭ টন এবং আতপ চাল ৪০৪ টন। এ সময়ে সেদ্ধ চাল সংগ্রহ হয়েছে ১২ হাজার ২৪০ টন। তবে কোনো আতপ চাল সংগৃহীত হয়নি। সেদ্ধ চাল সরবরাহের জন্য ১০২ জন এবং আতপ চাল সরবরাহের জন্য মাত্র একজন চালকল মালিক চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। সেদ্ধ চাল ৪৪ টাকা, আতপ ৪৩  এবং ধান ৩০ টাকা কেজি দরে কেনা হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর কার্যালয় সূত্র জানায়, কৃষকদের একটি করে কৃষি কার্ড আছে। ওই কার্ডে কৃষকের নাম, পরিচয় এবং তার চাষ করা জমির পরিমাণ উল্লেখ রয়েছে। জেলায় কার্ডধারী কৃষকের ব্যাংকে ১০ টাকার হিসাব রয়েছে। ধান কেনার পর কৃষকের ব্যাংক হিসাবে টাকা দেয়া হয়। একজন কৃষক সর্বনিম্ন ১২০ কেজি থেকে সর্বোচ্চ ৩ টন পর্যন্ত ধান সরকারি গুদামে বিক্রি করতে পারেন। ধান কেনার পর গুদাম থেকে কৃষককে ওজন মান মজুদ সনদ দেয়া হয়। কৃষক ওই সনদ ব্যাংকে তার নিজস্ব ১০ টাকার হিসাবে জমা করার পর চেক দিয়ে ধান বিক্রির টাকা তোলেন। জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্র জানায়, আটটি উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলা, শার্শা, চৌগাছা, ঝিকরগাছা, মণিরামপুর, বাঘারপাড়া এবং কেশবপুর উপজেলায় কৃষি অ্যাপের মাধ্যমে এবং অভয়নগর উপজেলায় ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনা হচ্ছে। বর্তমানে জেলার হাটবাজারে মোটা ধান ১ হাজার ২৪০-১ হাজার ২৫০ টাকা এবং চিকন ধান ১ হাজার ২৭০-১ হাজার ২৮০ টাকা পর্যন্ত মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। গুদামে ধানের নির্ধারিত দাম ১ হাজার ২০০ টাকা মণ। দাম বাড়িয়েও ধান সংগ্রহ আশানুরূপ না হওয়ার কারণ জানতে চাইলে যশোর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুণ্ডু বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমন সংগ্রহ অভিযানে সরকারিভাবে ধানের যে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তার চেয়ে বেশি দামে বেচাকেনা হচ্ছে। সংগ্রহ অভিযানের শুরুতে বাজারে ধানের দাম কম ছিল। তখন কিছু ধান সংগ্রহ হয়েছে। খাদ্য গুদামগুলো উপজেলা সদরে হওয়ায় ধান পরিবহনে কৃষকের ব্যয় বাড়ে। শ্রম ও সময়ও বেশি লাগে। এজন্য কৃষক বাড়ি থেকে এবং পাশের বাজারে প্রায় একই দামে ধান বিক্রি করছেন। তাতে পরিবহন ব্যয়, শ্রম ও সময় কম লাগছে। এ কারণে কৃষক খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহ করতে আগ্রহী হচ্ছেন না। সামনে যে সময় আছে, তাতে আর ধান সংগ্রহ করা যাবে বলে মনে হচ্ছে না। তবে চুক্তিবদ্ধ চালকলের মালিকরা ঠিকমতো চাল সরবরাহ করছেন। লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ চাল সংগৃহীত হবে।’ গুদামে ধান দিতে গেলে কৃষককে বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। তাদের অভিযোগ, গুদামে ধান নিয়ে গেলে ওই কৃষকের নাম উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের কৃষক তালিকায় আছে কিনা, তা দেখা হয়। তালিকায় নাম না থাকলে কৃষক গুদামে ধান বিক্রি করতে পারেন না। ২০১০ সালে কৃষি বিভাগ কৃষকের তালিকা তৈরি করে। এরপর তালিকাভুক্ত কৃষককে কৃষিকার্ড দেয়া হয়। কিন্তু তালিকাটি পরে আর হালনাগাদ করা হয়নি। ফলে নতুন করে ধান-চাষ করা কৃষক তালিকাভুক্ত হননি। এছাড়া খাদ্যগুদামে শুধু ১৪ শতাংশের নিচের আর্দ্রতার ধান কেনা হয়। কৃষক গুদামে ধান নিয়ে গেলে আর্দ্রতার অজুহাতে ফেরত দেয়া হয়। এ কারণে গুদামে ধান দিতে গিয়ে কৃষকের লোকসান হয়। মান খুব ভালো না হলে খাদ্যগুদামে ধান কেনা হয় না। তবে ধানের মান কিছুটা খারাপ হলেও কৃষক বাজারে যাচাই করে বিক্রি করতে পারেন। গুদামে ধান সরবরাহ না করার কারণ জানতে চাইলে ঝিকরগাছার মাটিকুমড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফা বণিক বার্তাকে বলেন,

read more

মেট্রোর ভেতর বাদাম খাওয়া নিয়ে তোলপাড়!

মেট্রোরেলের ভেতর বাদাম খাওয়া নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন কয়েকজন যাত্রী। সামাজিক

read more

আমিন আল্লাহহুম্মা আমিন ধ্বনিতে মুখরিত টঙ্গীর তুরাগ তীর

গাজীপুরের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরী মোনাজাত সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (৪

read more

কারাবন্দীদের নিয়ে বিএনপিতে দুশ্চিন্তা

নির্বাচন শেষ হওয়ায় ক্ষমতাসীনরা হার্ডলাইন থেকে সরে আসবে সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের এমন ভাবনা

read more

শিল্প খাতে নীরবে বেকারত্ব বাড়ছে

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং খুচরা বিক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলোর কাছ

read more

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com