‘হৃদিতা’ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

‘হৃদিতা’ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

0

বিনোদন ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : ‘সরকারি অনুদানের ছবি হৃদিতা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ’- শিরোনামে গত ১৯ আগস্ট দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদটির প্রতিবাদ করেছেন চিত্রপরিচালক এম এন ইস্পাহানি।

প্রতিবাদপত্রে তিনি লিখেছেন, ‘আমার নামে জালিয়াতির অভিযোগে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তাতে আমি বিস্মিত হয়েছি। এমন একটি সংবাদ প্রকাশের পূর্বে আমার কোনো বক্তব্য নেয়া হয়নি। তা হলে আমি সত্যটা জানাতে পারতাম। এরকম একতরফা সংবাদ পরিবেশনে আমার সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে আমি মনে করি। কারণ যথাযথ নিয়ম মেনে লেখক আনিসুল হকের অনুমতি নিয়েই আমি হৃদিতা উপন্যাসটির চিত্রনাট্য রচনা করে অনুদানের জন্য জমা দিয়েছিলাম এবং অনুদান পেয়েছি।’ সংবাদটি প্রকাশের জন্য তিনি প্রতিবেদককে দুঃখ প্রকাশ করতেও বলেছেন।

প্রতিবেদকের বক্তব্য: প্রতিবেদনটিতে ‘হৃদিতা’ নিয়ে জালিয়াতির যে কথা বলা হয়েছে সেটা মূলত এ ছবির নির্মাণের জন্য লেখক আনিসুল হকের কাছ থেকে অনুমতি নেয়া প্রযোজক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের অভিযোগ। তিনিই যুগান্তরের কাছে অভিযোগ করেছেন, ইস্পাহানি আরিফ জাহান জালিয়াতি করে অনুদান নিয়েছেন। প্রতিবেদক তার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধান করে জালিয়াতির বিষয়টির সত্যতা খুঁজে পান। যার প্রমাণ প্রকাশিত স্থিরচিত্রে দেয়া আছে। ১ম স্থিরচিত্রে দেখা যাচ্ছে, ইস্পাহানি আরিফ জাহান হৃদিতা উপন্যাসের লেখক আনিসুল হকের কাছ থেকে যে প্যাডে লিখিত অনুমতি নিয়েছেন সেই প্যাড মূলত প্রযোজক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের মালিকানাধীন জাদুকাঠি মিডিয়ার অফিসিয়াল প্যাড। আনিসুল হক নিজ হাতে লিখে ছবিটি প্রযোজনা করার জন্য জাদুকাঠি মিডিয়াকে অনুমতি দিয়েছেন। মিজানুর রহমানের প্রতিনিধি হয়েই মূলত তারা আনিসুল হকের কাছ থেকে ছবিটি নির্মাণের অনুমতি নিয়ে এসেছেন। হৃদিতা উপন্যাস থেকে ছবি নির্মাণের অনুমতি বাবদ লেখককে পরিশোধ করা ৫০ হাজার টাকার মানি রিসিটও স্বাক্ষর করেছেন আনিসুল হক এবং সেটা জাদুকাঠি মিডিয়ারই।

আনিসুল হক নিজেই যুগান্তরকে বলেছেন, তার কাছে ইস্পাহানি আরিফ জাহান এসেছিলেন, ‘হৃদিতা’ নির্মাণের জন্য একটি প্যাডে লিখিত অনুমতি নিয়েছেন। এখন সেটা যার অফিসিয়াল প্যাড তিনিই ছবিটি প্রযোজনার অনুমতি পাবেন। তিনি দ্বিতীয়বার আর কাউকে অনুমতি দেননি। তার বক্তব্য যুগান্তরের কাছে সংরক্ষিত আছে। এরপরও যদি আনিসুল হকের কোনো লিখিত আলাদা কোনো অনুমতিপত্র ইস্পাহানি আরিফ জাহানকে দিয়ে থাকেন তাহলে সেটা লেখকের বিষয়। এজন্য আনিসুল হক জবাবদিহি করবেন, যুগান্তর কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক নয়।

সুতরাং প্রতিবেদনটি যে সত্য এবং তথ্যসমৃদ্ধভাবে প্রকাশ করা হয়েছে সেটা বলার আর অপেক্ষা রাখে না। প্রযোজক মিজানুর রহমানের অভিযোগ করা জালিয়াতির বিষয়টির সত্যতা পাওয়ায় প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

কোন কমেন্ট নেই

উত্তর দিন