বিয়ে বার্ষিকী: মেঘেদের মুখোমুখি মোশাররফ করিম-জুঁই

বিয়ে বার্ষিকী: মেঘেদের মুখোমুখি মোশাররফ করিম-জুঁই

0

বিনোদন ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : ‘বিশ্ব করোনামুক্ত থাকলে এক ছুটে বান্দরবান চলে যেতাম। পাহাড়-অরণ্যের একেবারে ভেতরে যেখানে পায়ে হেঁটে যেতে হয়, যেসব জায়গায় আগে যাওয়া হয়নি, সেখানে চলে যেতাম।’—গত ঈদুল আজহার আগে রাইজিংবিডির সঙ্গে আলাপকালে কথাগুলো বলেছিলেন অভিনেত্রী রোবেনা রেজা জুঁই।

করোনা সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ঘরবন্দি ছিলেন জুঁই-মোশাররফ করিম দম্পতি। আর ঘরবন্দি জীবনের অবসান হলে বান্দরবান যাওয়ার প্রবল ইচ্ছার কথা এভাবেই জানান এই অভিনেত্রী।

করোনা সংকট পুরোপুরি কেটে না গেলেও কর্মমুখী মানুষ পুরোদস্তুর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। জুঁই-মোশাররফ করিম দম্পতিও কাজে ফিরেছেন। কাজের ফাঁকে অবকাশ মিলেছে তাদের। আর তাইতো ছুটে গিয়েছেন সবুজ অরণ্য ঘেরা রাঙ্গামাটির সাজেকে। যেখানে নীল আকাশ আর সবুজ অরণ্য মিলে একাকার! সবুজ অরণ্য আর মেঘপুঞ্জের মুখোমুখি বসে সময় কাটছে এই যুগলের। জুঁইয়ের ভাষায়—এই জায়গাটি অদ্ভুত সুন্দর। মেঘেদের সঙ্গে দারুণ সময় কাটছে। ইচ্ছ করছে কিছুদিন এখানেই থেকে যাই।

এই দম্পতির এবারের অবকাশ যাপনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে তাদের বিবাহবার্ষিকী। কারণ বুধবার (৭ অক্টোবর) ছিল বিশেষ এই দিন। এরই মধ্যে ১৬টি বসন্ত একসঙ্গে পার করলেন মোশাররফ-জুঁই। আর দিনটি নিজেদের মতো কাটাতে ছুটে গিয়েছেন সবুজ অরণ্যে। সাজেক ইউনিয়নের রুইলুই পাড়া ও কংলাকে কাটছে তাদের সময়। সেখানে চিম্বল নামে একটি রেস্টুরেন্টে বিয়ে বার্ষিকী উপলক্ষে কেক কেটেছেন এই দম্পতি।

অভিনয়ে নিয়মিত হওয়ার আগে শিক্ষকতা করেছেন মোশাররফ করিম। সেখানে রোবেনা রেজা জুঁইয়ের সঙ্গে তার পরিচয়। তারপর মনের লেনাদেনা। যদিও এই যুগলের প্রেম কাহিনি কারো অজানা নয়। যাই হোক, ২০০৪ সালের ৭ অক্টোবর পারিবারিক আয়োজনের মাধ্যমে কবুল বলেন তারা। তাদের সংসার আলো করে এসেছে পুত্র রোবেন রায়ান করিম।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

কোন কমেন্ট নেই

উত্তর দিন