বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
নায়িকাদের ‘ফিগার’ নিয়ে যা বলতেন ডা. মুরাদ ইমনকে র‍্যাব কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে আইসিসির নভেম্বরের সেরার লড়াইয়ে নাহিদা ইইউ মন্ত্রীরা স্বল্প বেতনের কর্মীদের মজুরী সুরক্ষার ব্যবস্থা নিতে সম্মত কোভিড-১৯-এর চ্যালেঞ্জ ও প্রভাব মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো সমস্যা চায় না ভারত : মোমেন মুরাদ হাসান জেলা আওয়ামী লীগ থেকেও অব্যাহতি পাচ্ছেন : ওবায়দুল কাদের সমালোচনা সত্বেও পিএসজির খেলার ধরনে পরিবর্তন হবে না : পচেত্তিনো কিউলেক্স মশক নিধনে বিশেষ অভিযান শুরু ২২ ডিসেম্বর থেকে : মেয়র আতিক ভোলায় ডিজিটাল সেন্টারের ১১ বছর পূর্তি উদযাপন ও ই-সেবা ক্যাম্পেইন

১৫০ পর্বে বৈশাখী টিভির ধারাবাহিক ‘জমিদার বাড়ি’

বৈশাখী টেলিভিশনের তারকাবহুল ধারাবাহিক নাটক ‘জমিদার বাড়ি’র ১৫০তম পর্ব প্রচারিত হতে যাচ্ছে।

আগামী ২৭ অক্টোবর বুধবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে প্রচারিত হবে এই দেড় শতম পর্ব। সপ্তাহে তিন দিন প্রতি মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার একই সময়ে প্রচারিত হয়ে আসছে নাটকটি। অভিনয় করছেন মনোজ সেনগুপ্ত, শম্পা রেজা, আ খ ম হাসান, নাদিয়া মীম, শিল্পী সরকার অপু, সুব্রত, মোমেনা চৌধুরী, সঞ্চিতা দত্ত, মিলন ভট্ট, নাইরুজ সিফাত, ইমতু রাতিশ, বড়দা মিঠু, রাশেদ মামুন অপু প্রমুখ। গল্প :  টিপু আলম মিলন, সংলাপ-চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করছেন সাজ্জাদ হোসেন দোদুল।

১৫০তম পর্ব প্রচার উপলক্ষে পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন দোদুল বলেন, দর্শকদের অকৃত্রিম ভালোবাসাই নাটকটিকে এত দূর নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে নাটকটি মানসম্পন্ন করার জন্য অভিনয়শিল্পীদের আন্তরিকতা এবং আমার চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না। সর্বোপরি নাটকের গল্পের কথা না বললেই নয়। বৈশাখী টিভির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক  টিপু আলম মিলন ভাইয়ের গল্প অসাধারণ। কাহিনি দর্শকদের ভালো না লাগলে কিন্তু নাটকটি এত দূর টেনে আনা সম্ভব হতো না। এ রকম অসাধারণ গল্প দেওয়ার জন্য তাঁর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

নাটকের কাহিনিকার বৈশাখী টিভির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক  টিপু আলম মিলন বলেন, নাটকের জন্য প্রতিটি গল্পেই ভিন্নতা আনার চেষ্টা করি, ধারাবাহিক ‘জমিদার বাড়ি’ও এর ব্যতিক্রম নয়। দর্শকদের ভালোবাসা নিয়ে নাটকটির ১৫০তম পর্ব প্রচার হচ্ছে জেনে ভালো লাগছে। ভালো গল্প, ভালো অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং ভালো নির্মাতা হলে দর্শক তা দেখবেই। নির্মাতা সাজ্জাদ হোসেন দোদুলের প্রতি আমার বিশ্বাস আছে, সে নাটকটিকে আরো জনপ্রিয় করে তুলতে পারবে বলে আমি মনে করি। এরই মধ্যে জমিদার বাড়ির ভেতরকার অন্তকলহ, দ্বন্দ্ব-সংঘাত আর নানা জল্পনা-কল্পনায় নাটকটি জমে উঠেছে।

নাটকের গল্প নিয়ে বলতে গিয়ে গল্পকার টিপু আলম মিলন বলেন, জমিদারি প্রথা শেষ হয়েছে সেই কবে। ভগ্নপ্রায় জমিদারবাড়িগুলো এখন পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত। জমিদারি প্রথা শেষ হলেও বংশপরম্পরায় তাদের ঠাটবাট, আচার-আচরণ, চলন-বলন এখনো রয়ে গেছে। নদী মরে  গেলে যেমন তার বাঁক রয়ে যায়, তেমনি জমিদারি শেষ হলেও তাদের শরীরে রয়ে গেছে জমিদারির রক্ত।  জমিদারির রক্তের কারণেই অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না, আশপাশের মানুষকে তাচ্ছিল্য করে, ঘৃণার চোখে দেখে। তাদের চলন-বলনে মনে হয় এখনো তারা জমিদার বহাল আছেন, সমাজের সবাই তাদের আগের মতোই সম্মান করবে, কুর্নিশ করবে। তারা মানতেই চান না এ এক নতুন সমাজ , তাদের জমিদারি আজ আর নেই। কিন্তু তা না থাকলে কী হবে, জমিদারি প্রথার মতোই শ্রেণিবৈষম্য এখন সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। নব্য সমাজপ্রতিভূ জমিদারদের দাপটে সুন্দর সমাজ আজ ক্ষতবিক্ষত। সমাজের নানা অসংগতিই উঠে এসেছে ধারাবাহিকটির গল্পে।

তিনি আরো বলেন, নাটকের মূল উপজীব্য ভগ্নপ্রায়  মির্জা জমিদারের বাড়ি। এলাকার মানুষের কাছে বাড়িটি এখনো অনেক বিস্ময়। প্রচুর ধন-সম্পদ আর প্রাচুর্যের কারণে এলাকার মানুষের কাছে তাদের অনেক সম্মান। ওপর থেকে এই জমিদার বাড়ির যতই চাকচিক্য থাক না কেন, ভেতরে ভেতরে তাতে ফাটল ধরে গেছে। জমিদার রমজান মির্জা মারা যাওয়ার সময় সব সম্পত্তি স্ত্রী রাবেয়ার নামে লিখে দিয়ে যান। রাবেয়ার তিন ছেলে- বাদশা, নবাব ও সম্রাট। গ্রামের মানুষ এটাও জানে- রাবেয়া মির্জা জমিদারের একক স্ত্রী নন, এক বাঈজিকে বিয়ে করেছেন, তার ঘরেও আরো সন্তান আছে। এটা জানার পর ক্ষুব্ধ রাবেয়া মির্জা বিশ্বস্ত লোক দ্বারা জমিদার রমজান মির্জাকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করান। হত্যার আগে সব সম্পত্তি জোর করে নিজের নামে লিখিয়ে নেন। জমিদারের মৃত্যুরহস্য আজও অজানা। কাহিনি যত এগিয়ে যাবে ততই উন্মোচিত হবে একের পর এক নাটকীয়তা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com