মঙ্গলবার, ২১ Jul ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
মেসিকে কীভাবে আটকেছেন, জানালেন স্পেনের কোচ যুদ্ধের মধ্যেও বিশ্বকাপের উন্মাদনা, স্পেনের জয়ে গাজায় উল্লাস ‘ভাগ্য আমাদের পক্ষেই লেখা ছিল’ ‘এটি প্রদর্শন করতে পারবেন না’— যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপের ম্যাচে টার্গেট করা হতো ফিলিস্তিনি পতাকা ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশে নেই রেসিডেন্সি পারমিট নিয়ে নতুন ঘোষণা দিল সৌদি কুয়েতে মার্কিন রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস ও সেনা নিহতের দাবি ইরানের শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর সহকারী পদে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

হাসতে হাসতে জান্নাতে পৌঁছাবে যে আমল

নিউজ ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : রহমতের দ্বিতীয় দিনে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে রহমতপ্রাপ্তির গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে আলোচনা করব।

সব মুসলমানের ধ্যান-জ্ঞান একটা-ই হওয়া উচিত-আল্লাহকে পাওয়া। তাকে পেতে হলে ওঠতে-বসতে, নিদ্রায়-জাগরণে, সকাল-সন্ধ্যা, দিন-রাতে, ঘরে-বাইরে একমনে একধ্যানে পরম ভালোবাসায় দয়ালু মাওলাকে ডাকা উচিত। আর আল্লাহকে ডাকার নাম-ই হচ্ছে জিকির।

কেন জিকির করব?

কারণ জিকির মনের শান্তি ও আত্মার তৃপ্তি। মহান আল্লাহ বলছেন, যারা মুমিন (আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী) তাদের অন্তর আল্লাহর জিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; আর জেনে রেখ– আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি পায় [সুরা রা’দ, আয়াত নং ২৮]

এ আয়াত থেকে কী বুঝলাম? মুমিন মুসলমানের যদি আত্মার প্রশান্তি দরকার হয়, তা হলে নিরিবিলি পরিবেশে চুপচাপ এক মনে আল্লাহর জিকির করতে হবে।

আচ্ছা! অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, আমি তো নামমাত্র মুসলমান, আমাকে কি আল্লাহ স্মরণ করবেন?

অবশ্যই, তোমাকে আল্লাহ স্মরণ করবেন। শর্ত হলো– তুমিও আল্লাহকে স্মরণ করবে। কথাটি আল্লাহ নিজেই কোরআনে বলেছেন।

আল্লাহপাক বলেন, সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ (জিকির) কর, আমিও তোমাদের স্মরণ করব। আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়োনা [সুরা বাক্বারা, আয়াত নং ১৫২]

জিকিরের উপকারিতা

১. জিকিরের ফজিলত সম্পর্কে বলতে গিয়ে রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর জিকির করে আর যে করে না তাদের দৃষ্টান্ত হলো জীবিত ও মৃত ব্যক্তির মতো। {বোখারি শরিফ, হাদিস নং ৬০৪৪}

২. রাসুলে আরাবি (সা.) আরও বলেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর’ বলবে, সে দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সওয়াব লাভ করবে, তার নামে ১০০টি সওয়াব লেখা হবে ও তার আমলনামা হতে ১০০ গুনাহ মুছে ফেলা হবে।

আর সে সেদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তানের ধোঁকা থেকে মুক্ত থাকবে। কেয়ামতের দিন কেউ তার থেকে ভালো আমল আনতে পারবে না, একমাত্র সেই ব্যক্তি ব্যতীত যে তার থেকে বেশি নেক আমল করেছে {বোখারি শরিফ, হাদিস নং ৬০৪০}

আল্লাহর জিকিরে কী লাভ কোরআন ও হাদিসের আলোকে তা যখন জানলেন, তখন চুপচাপ বসে থাকার সুযোগ আছে?

সিদ্ধান্ত আপনার, আমলনামাও আপনার। যেমন কর্ম তেমন ফল।

জিকিরের মাধ্যমে যদি আল্লাহকে পাওয়া যায়, তখন আর কবর, হাশর, পুলসিরাতের ঝক্কিঝামেলা পোহাতে হবে না ইনশাআল্লাহ। হাসতে হাসতে জান্নাত। আবার রমজানের মতো বোনাসের মাস! নির্বোধ ছাড়া এ সুযোগ কেউ হাতছাড়া করবে বলে মনে হয় না।

মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করুন, ইবাদাত, জিকির, তিলাওয়াত, দোয়া, তওবা, ইস্তেগফার, কান্নাকাটিতে রাঙিয়ে তুলুন আপনার মূল্যবান সময়। মনে রাখতে হবে, বেশি বেশি জিকিরের একমাত্র প্রতিদান হলো হাসতে হাসতে জান্নাত!

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com