শনিবার, ১১ Jul ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : কমিউনিটি ট্রান্সমিশন সর্বনিম্ন পর্যায় না পৌঁছানো পর্যন্ত কেবল হটষ্টস্পটই নয়, সারা দেশে কঠোর লকডাউন অব্যাহত রাখা এবং শিথিল না করতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছে ওয়ার্কার্স পার্টি।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দলের পলিটব্যুরো মহান মে দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের শ্রমিক শ্রেণিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছে, বাংলাদেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ক্রমাগত জটিল রূপ নিচ্ছে। ইতিমধ্যে গামেন্টস শিল্প মালিকদের চাপে গার্মেন্টস কারখানাগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দোকান মালিকরা বিপণীবিতান খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
তারা বলেন, যেখানে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রোলিয়ার কমিউনিটি ট্রান্সমিশন এর অবসান ঘটায় তারা পাঁচ-ছয় সপ্তাহের পর লকডাউন তুলে নিয়েছে, সেখানে সেই উদাহরণ টেনে বাংলাদেশের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন যখন ক্রমাগত উর্ধগামী তখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী লকডাউন তুলে দেবার পক্ষে সাফাই গাইছেন।
করোনা সংকটে দেশের শিল্প-ব্যবসায়ের মালিকরা তাদের স্বার্থ রক্ষায় জনগণের জীবন ও জীবিকা উভয়কে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করে দলটির নেতারা বলেন, যে পুঁজির ধর্ম মুনাফা খোঁজা এবং তার জন্য পুঁজির মালিক নিজের গলায় ফাঁস দিতেও দ্বিধা করে না। সেখানে তাদের এই মুনাফা লোভের জন্য জনগণকে জিম্মি করা কেন, শ্রমিকদের নিশ্চিত আক্রান্ত হওয়া ও মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া কেন।
ওয়ার্কার্স পার্টির নেতারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র করোনা পরিস্থিতির এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করেছিল বলেই সেখানে মৃত্যুর মিছিল চলছে, আর ভিয়েতনাম কঠোর লকডাউন করায়, আক্রান্তদের বিচ্ছিন্ন করায় সেখানে একটিও মৃত্যুও ঘটেনি।
ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে ভিডিও কনফারেন্সে মে দিবসের ১৩৪ তম বার্ষিকী ও দেশের করোনা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন পার্টির সাধারণ সম্পদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি।
আলোচনায় যুক্ত হন পলিটব্যুরোর সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক, ড. সুশান্ত দাস, মাহমুদুল হাসান মানিক, নুর আহমদ বকুল, হাজেরা সুলতানা, কামরুল আহসান, মোস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি, আমিনুল ইসলাম গোলাপ, অধ্যাপক নজরুল হক নীলু, নজরুল ইসলাম হক্কানী ও আলী আহমেদ এনামুল হক এমরান।
নগরকন্ঠ.কম/এআর