শুক্রবার, ০৩ Jul ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক। দেশমাতৃকার টানে জীবন বাজি রেখে তিনি শুধু মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেই ক্ষান্ত হননি, বরং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত করতে অসামান্য অবদান রেখেছেন।
অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে তিনি তিলে তিলে ৪১টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। হাজার হাজার মানুষকে চাকরি দিয়ে জীবিকা নির্বাহের সুযোগ করে দিয়েছেন তিনি। দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে তিনি সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধাকে হারিয়েছে।
সোমবার বাদ আসর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৫৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আকাশ কুমার ভৌমিকের উদ্যোগে যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন। মেরাজনগর কাউন্সিলর কার্যালয়ে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
যুগান্তরের দনিয়া প্রতিনিধি খোরশেদ আলম শিকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ছিলেন একজন বড় মনের মানুষ। বিশ্বের দরবারে তিনি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন। সাহসী মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামকে হারিয়ে দেশ একজন বড় শিল্প উদ্যোক্তাকে হারিয়েছে। তিনি চলে গেলেও তার অবদান চিরভাস্বর, চির অম্লান হয়ে থাকবে।
স্মরণসভায় দোয়া পরিচালনা করেন মেরাজনগর জামে মসজিদের ইমাম আবু সুফিয়ান। এ সময় ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহসম্পাদক সোহাগ শাহরিয়ার, ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রতন দেওয়ান, শ্যামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি নাজিম উদ্দিন খান, কদমতলী থানা আওয়ামী লীগ নেতা ফয়সাল আহমেদ, খলিলুর রহমান, তাপস মাহমুদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ৫৯ নম্বর ওয়ার্ড নেতা নাদিম হোসেন, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস ছোবহান, কদমতলী থানা ছাত্রলীগ নেতা জিহাদসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
নগরকন্ঠ.কম/এআর