রবিবার, ০৫ Jul ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
আজ রবিবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। গত ১১ই নভেম্বর পাপুলসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে দুদক।
মামলার অপর আসামিরা হলেন পাপুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এবং মেয়ে ওয়াফা ইসলাম। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ১৪৮ কোটি টাকার পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের আড়ালে জেসমিন প্রধানের পাঁচটি হিসাবের মাধ্যমে ২০১২ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত পাচার হয় ১৪৮ কোটি টাকা। অথচ মাত্র বয়স ২৩ বছর বয়সি জেসমিনের নিজের কোনো আয়ের উৎস নেই।
অন্যদিকে এফডিআর হিসাবের ২ কোটি ৩১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৮ টাকার কোনো উৎস দাখিল করতে পারেননি শ্যালিকা জেসমিন।একইসঙ্গে ৯২টি তফসিলভুক্ত স্থাবর সম্পত্তির ক্রোকের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া সিআইডির করা মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় ৫৩টি ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।