রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

মায়ের মন ভালো না থাকলে মানসিক রোগে আক্রান্ত হয় শিশু: সমীক্ষা

যদি ভেবে থাকেন আপনি আপনার সন্তানের কাছে মনের দুঃখ চেপে রাখবেন বা দুশ্চিন্তা এড়িয়ে যাবেন, তাহলে মনে রাখবেন, সেই কৌশলে সফল নন আপনি। সন্তান মিথ্যা কথা বললে বা অন্যায় করলে ঠিক যেমন মুখ দেখে বুঝে যান আপনি, সন্তানেরও সেই ক্ষমতা থাকে ( ব্যক্তি বিশেষে)। মায়ের মন ভালো না থাকলে তা সন্তানের উপর দ্বিগুন প্রভাব ফেলে।

প্রথমত, তারও মন খারাপ হয়ে যায়, দ্বিতীয়ত, সে স্পষ্টভাবে সবটা না জানার দরুণ মনে মনে দুশ্চিন্তা করতে থাকে। যা থেকে জন্ম নেয় মাকে হারানোর সঙ্গে নানা ধরনের ভয়। যা প্রকাশ করতে পারে না। কিন্তু মাথায় সেই চিন্তা ঘুরতে থাকায় চাপের সৃষ্টি হয় শিশুর মনে।

অন্যদিকে, জার্নাল বায়োলজিকাল সাইকিয়াট্রি জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে দেখা গিয়েছে, একজন গর্ভবতী মায়ের উপর মনের উপর চাপ সৃষ্টি হলে বা সে দুশ্চিন্তায় দিন কাটালে সন্তানের জন্মগত কোনও রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। বেশির ভাগ সময় তা হচ্ছে মানসিক অসুস্থতা। ডাউন সিনড্রোম হতে পারে আপনার সন্তানের।

গবেষণার জন্য, গবেষকরা মাইটোকন্ড্রিয়ালের জিনোম সিকোয়েন্স করেছেন। মায়েদের কাছ থেকে ৩৬৫ প্লেসেন্টার নমুনার মিউটেশন সনাক্ত করা হয়েছিল। প্লেসেন্টা মাইটোকন্ড্রিয়াল জিনোমে জিনের পরিবর্তনের সংখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রসূতির মানসিক চাপ দেখার জন্য একটি মাল্টিভেরিয়েবল রিগ্রেশন মডেল ব্যবহার করা হয়েছিল। যে মায়েরা মানসিক চাপের মুখোমুখি হন তাদের সন্তানের মানসিক সমস্যা দেখা দেয়।

সুতরাং, গর্ভে সন্তান থাকাকালীন দুশ্চিন্তা চাপ থেকে দূরে থাকুন। শুধু তাই নয় সন্তানের বেড়ে ওঠার সময়েও মন খারাপ, চাপ, দুশ্চিন্তা থেকে সরে থাকার চেষ্টা করুন। যদি এড়িয়ে চলা না যায়, তাহলে সন্তানের থেকে না লুকিয়ে তাঁর সঙ্গে শেয়ার করার মতো পরিস্থিতি গড়ে তুলুন। ভুল অন্যায় সম্পর্কে সন্তানের ধারণা হওয়ার সঙ্গে আপনার প্রতি তার কর্তব্য দায়িত্ব জ্ঞান বেড়ে যাবে। জিনিউজ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com