রবিবার, ০৫ Jul ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
আজ শনিবার ‘লেখক মুশতাক আহমেদ ও সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে’ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘যাঁকে ভয় পাবেন, তাঁকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করে দেশে আটকে রেখেছেন। যাঁকে ভয় পাচ্ছেন, সেই তারেক রহমান প্রবাসে আছেন। যাঁকে ভয় পাচ্ছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, উনি আমাদের মধ্যে নেই। তবু এত ভয় কেন আপনাদের? আমি বুঝতে পারি না। এত ভয়, কী জন্য এত ভয়?’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘জিয়াউর রহমান যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে দেশের চেহারা এমন হতো না। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যদি বাইরে থাকতেন, তাহলেও দেশের চেহারা এমন থাকত না। আমাদের বিশ্বাস দেশনায়ক তারেক রহমান যখন দেশে ফিরবেন, তখনও দেশের চেহারা এর চেয়ে অনেক ভালো থাকবে ইনশাআল্লাহ।’
বিএনপিনেতা আরও বলেন, ‘এ দেশে গণতন্ত্র ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছেন এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সংবাদপত্র ও মানুষের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দিয়েছে এই বিএনপি। যার ফলে আজকে হাজার হাজার সংবাদপত্র, হাজার হাজার পত্রিকা। আজকে এই সরকারের আমলে শত-শত সাংবাদিক, লেখক ও কলামিস্টকে জেলে যেতে হচ্ছে। আমরা কোনো কথাই বলতে পারব না। এভাবে চলবে না, চলতে পারে না।’
স্বেচ্ছাসেবক দলের আজকের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কদম ফোয়ারা, তোপখানা রোডে ও সচিবালয়ের সামনে কঠোর নিরাপত্তার বলয় গড়ে তোলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ সময় পথচারীদের তল্লাশি করে দেখা গেছে।
কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা নেতাকর্মীদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বাধা দিয়েছেন বলেও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অভিযোগ করেন নেতারা।
স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানেরর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভুইয়া জুয়েলের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসবেকল দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার, সহ-দপ্তর সস্পাদক নাজমুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।