সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
আগামী দুই মাসের মধ্যে সব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নিবন্ধন নিতে হবে। এছাড়াও ই-কমার্সের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে রাখতে হবে নির্দিষ্ট পরিমাণ জামানত। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ও তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি প্রিসাইসড প্রোগ্রাম করে যারা যারা জাতীয় ই-কমার্সের সঙ্গে যুক্ত থাকবে তাদের সবাইকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। দুই মাসের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, যারাই ই-কমার্স করবেন তাদের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেয়া হবে, যাতে অযোগ্য ও অসৎ কেউ এ ধরনের ব্যবসায় থাকতে বা আসতে না পারেন। ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর আগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে নিরাপত্তা আমানত রাখতে হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যাতে কোনো অঘটন ঘটলে সেই ডিপোজিট থেকে সবাইকে টাকা ফেরত দেয়া যায়।
কোনো প্রতিষ্ঠান যেন ভুয়া তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন না নিতে পারে সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। বিএফআইইউ (বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট) ও অন্যান্য যে ডিজিটাল মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম ও ইন্টেলিজেন্স সংস্থাগুলো রয়েছে তাদের নির্দেশনা দিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারাও এগুলো ধরণ চেক করে দেখবে, যাতে কেউ প্রতারণা করতে না পারে বলেও জানান তিনি।
রেজিস্ট্রেশনবিহীন কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন না করতে প্রচারণা চালানোর কথা উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম জনসাধারণের মধ্যে প্রচারের জন্য ব্যাপক ক্যাম্পেইনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেখানে মানুষকে বোঝানোর জন্য ব্যাপকভাবে প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও অনিবন্ধিত কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে কেনাকাটার দায় ক্রেতাকেই বহন করতে হবে বলেও সতর্ক করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।