সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

তৃতীয় টার্মিনালের রানওয়েতে ১০ ডিসেম্বর থেকে তিন মাস রাতে ফ্লাইট বন্ধ থাকবে

হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের রানওয়েতে আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে তিন মাসের জন্য রাত্রীকালিন বিমান অবতরণ ও উড্ডয়ন বন্ধ থাকবে।
বিমান বন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণের কাজের জন্য চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বর হতে আগামী ২০২২ সালের ১১ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন রাত ১২টা থেকে পরের দিন সকাল ৮টা তিন মাস তৃতীয় টার্মিনালে রাত্রিকালীন সকল ফ্লাইট উঠা-নামা বন্ধ থাকবে। এ সময়ে কোনো ফ্লাইট ওঠানামা করার অনুমতি পাবে না।
হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নির্বাহী কর্মকর্তা গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল আহসান আজ বুধবার রাতে সাংবাদিকদের এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণকাজের সুবিধার জন্য নতুন হাইস্পিড কানেকটিং ট্যাক্সিওয়ে বানানো হচ্ছে, যার নির্মাণকাজ চলবে রাতে। সংস্কার কাজের কারণেই ওই টার্মিনালের রানওয়ে বন্ধ থাকবে।
এদিকে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে রানওয়ে বন্ধ থাকলেও বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কাজে কোনো প্রভাব পড়বে না। এ সময় কোনো ফ্লাইটের জরুরি অবতরণের প্রয়োজন হলে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। শুরুতে টার্মিনালটি নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৩ হাজার ৬শ’ ১০ কোটি টাকা। পরে প্রকল্প ব্যয় ৭ হাজার ৭শ’ ৮৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বাড়ানো হয়। এ প্রকল্পের বর্তমান দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৩ শ’৯৮ কোটি টাকারও বেশি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে ৫ হাজার ২শ’ ৫৮ কোটি ৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। বাকি ১৬ হাজার ১শ’ ৪১ কোটি ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ঋণ হিসেবে দিচ্ছে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা। ২০২৩ সালের জুন মাসে এই টার্মিনালের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com