বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
জুলাই স্মরণে জামায়াতের ৩৬ দিনের কর্মসূচি অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

আনুশকা-বিরাটের মেয়েকে ধর্ষণের হুমকিদাতা ‘উচ্চশিক্ষিত’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরাজয়ের পর আনুশকা শর্মা-বিরাট কোহলির ৯ মাসের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এক টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে। সেই নিয়ে হৈচৈ পড়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। শুরুতে ভাবা হয়েছিল ওই সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টটি কোনো পাকিস্তানির, কিন্তু পুলিশি তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

বুধবার ভামিকাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া যুবককে ভারতের হায়দরাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ।

২৩ বছর বয়সী রামনাগেশ আলিবাতিনি পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। পড়াশোনা করেছেন আইআইটি হায়দরাবাদ থেকে। তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন; কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র থেকে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিতে চাকরি ছাড়েন। গ্রেপ্তারের পর হতচকিত রাম নাগেশের পরিচিতরা। ক্রিকেটপাগল ছেলেটা এমন কাণ্ড ঘটাতে পারে তা ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করেনি কেউ।

ছেলের গ্রেপ্তারের পর ভেঙে পড়েছেন তাঁর রামনাগেশের বাবা শ্রীনিবাস। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি সেই সময়ই বলেছিলাম, ম্যাচ হারলে ক্রিকেটারকে নিয়ে মন্তব্য করতে পারো, কখনোই তাঁর মেয়েকে হুমকি দিতে পারো না।’ তবে গোটা বিষয় নিয়ে যে যুক্তি দাঁড়া করতে চাইছে অভিযুক্ত ও তাঁর ঘনিষ্ঠরা, সেই অজুহাত নিয়ে সরব হলেন কমেডিয়ান-লেখক বরুণ গ্রোভার।

রামনাগেশের বাবার বন্ধু জানিয়েছেন, ‘আসলে ম্যাচ শেষে ও ভীষণ রেগে ছিল এবং অনলাইনে চ্যাট করছিল, সেই সময় ভুলবশত ওই টুইট করে ফেলে রামনাগেশ। এরপর সঙ্গে সঙ্গে ওই টুইট মুছে ফেলতে চেয়েছিল; কিন্তু হাত ফসকে ফোনটা পড়ে যায়। এরপর ড্যামেজ কন্ট্রোল করবার আগেই ভাইরাল হয়ে যায় ওই টুইট। তার পর থেকেই ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছে ও।’

এই প্রসঙ্গে বরুণ গ্রোভার লেখেন, ‘হ্যাঁ, ফোনটা হাত ফসকে পড়ে গিয়েছিল, তাই টুইটটা হয়ে গেছে। তারপর আবার ফোনটা পড়ে গিয়েছিল এবং ওর প্রোফাইলটা একটা ভুয়া পাকিস্তানি অ্যাকাউন্টে পরিবর্তিত হয়ে যায়। তারপর ফের ফোনটা ফসকে পড়ে যায় এবং পুরনো টুইট সব ডিলিট হয়ে যায়’। বিদ্রূপ করে বরুণ স্পষ্টই বুঝিয়ে দেন আইআইটির ওই স্নাতকের অজুহাত এক্কেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। ‘হাত ফসকে ফোন পড়লে’ এত কাণ্ড হওয়া কী সম্ভব?

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com