বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ পানামায় এক বেনামী সংস্থায় নিজের টাকা জমা রেখেছেন। কর ফাঁকি দেয়ার জন্যই এসব করেছেন। ঐশ্বর্য রাইয়ের বিরুদ্ধে এই অভিযোগই এনেছে ইডি। ২০১৭ সাল থেকে এই নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। এর আগেও দু’-দু’বার তাকে সমন পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু অমিতাভের পুত্রবধূ আরো সময় চেয়ে নিয়েছিলেন।
২০০৪ সাল থেকে বচ্চন পরিবারের বিদেশে গচ্ছিত সম্পদের খতিয়ান চাইছে ইডি বলে জানা গেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার এলারএস ধারায়। ঐশ্বর্য গত ১৫ বছরের তার লেনদেনের তথ্য দিয়েছেন। সূত্রের খবর পানাম দ্বীপের একটি সংস্থার ডিরেক্টর পদে রয়েছে ঐশ্বর্য। ২০০৪ সালে ওই সংস্থা তৈরি হয়েছিল। ২০০৯ সালে ওই সংস্থা ছেড়ে দেন অভিনেতা।
২০১৬ সালে আইনি সংস্থা মোসাক ফনসেকার কিছু নথি চুরি যায়। পরে সেই নথি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরেই শুরু বিতর্ক। নথিতে ছিল বেআইনি লেনদেন, সম্পত্তি গচ্ছিত রাখার বিষয়টি। আঙুল ওঠে অমিতাভসহ দেশের বহু বিশিষ্ট জনের বিরুদ্ধে। এজন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রিত্ব হারাতে হয়েছিল নওয়াজ শরিফকে।
এদিকে সোমবার মাদক (সংশোধনী) বিল নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেই সময়ই ১২ জন বিরোধী সংসদ সদস্যকে সাসপেন্ড করা নিয়ে সরব হন জয়া।