সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার হ্যাকিংয়ের ৬ বছর পেরিয়ে গেলেও ফেরত এসেছে মাত্র ১৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে এ ঘটনায় মামলা হলেও তা চলবে কিনা সেই রায় আসেনি তিন বছরে। অর্থ উদ্ধারে রিজাল ব্যাংকের ওপর চাপ সৃষ্টির পাশাপাশি তদন্ত কাজ দ্রুত শেষ করা তাগিদ অর্থনীতিবিদদের।
সাইবার হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আলোড়ন সৃষ্টি হয় বিশ্বজুড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। শ্রীলংকামুখী ২ কোটি ডলার আটকে দেয়া হলেও বাকি ৮ কোটি ১০ লাখ বা ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংক বা আরসিবিসি হয়ে চলে যায় বিভিন্ন ক্যাসিনোয়।
ঘটনার অর্ধযুগ পার হলেও এ পর্যন্ত ফিরেছে মাত্র ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বাকি ৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা ৫৬০ কোটি টাকা ফেরত অনিশ্চিত।
রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা করে বাংলাদেশ।তবে সেই মামলা চলবে কি না, তিন বছরেও সে রায় হয়নি। ফিলিপাইনে ১২টি মামলার নিষ্পত্তি হয়নি এখনও। আর দেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়ের করা মামলা তদন্ত পর্যায়েই আছে।
চুরি যাওয়া অর্থ ফেরাতে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে রিজাল ব্যাংকের ওপর চাপ সৃষ্টির পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। সেই সাথে রিজার্ভ চুরির তদন্ত দ্রুত শেষ করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
চুরি যাওয়া রিজার্ভের ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার ফিলিপাইনের সোলায়ের ক্যাসিনোর অ্যাকাউন্টে আটক আছে। দেশটির আদালতের রায় পক্ষে এলে এই অর্থ ফেরত পাওয়ার জোর আশা আছে । তবে বাংলাদেশ পুরো অর্থই পাবে না আংশিক, তা ফিলিপাইনের উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। এছাড়া, হদিস মেলেনি আরও ১ কোটি ৪০ লাখ ডলারের।