বৃহস্পতিবার, ০৯ Jul ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
এক না এক সময় সেভেরোদোনেৎস্কের পতন অবশ্যম্ভাবী হলেও, ইউক্রেনের জন্য এই শহরের নিয়ন্ত্রণ হারানোর যন্ত্রণা মোটেও কম নয়।
কয়েক সপ্তাহ ধরে রাশিয়ান আক্রমণের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল সেভেরোদোনেৎস্ক। আর্টিলারি শেল ও বিমান হামলার আঘাতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে পুরো শহর।
শেষ পর্যন্ত ইউক্রেনীয় কমান্ডাররা স্বীকার করেই নিয়েছেন, এই ধংসস্তুপকে আগলে ধরে রাখতে গেলে অনেককে প্রাণ হারাতে হবে।
শনিবার (২৫ জুন) রাশিয়া সেভেরোদোনেৎস্ক দখলে নেয়ার খবর নিশ্চিত করার পর এক বক্তৃতায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘নৈতিকভাবে ও মানসিকভাবে’ এটি তার দেশের জন্য একটি কঠিন দিন ছিল।
লুহানস্ক অঞ্চলের এই অন্যতম শহরের নিয়ন্ত্রণ দখল করা রাশিয়ার অন্যতম কৌশলগত লক্ষ্যকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে এসেছে। পুরো ইউক্রেনকে দখল করে নেয়ার উদ্দেশ্যে ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে মস্কো বৃহত্তর ডনবাস অঞ্চল দখলের দিকেই পূর্ণ মনোনিবেশ করে আসছে।
দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক নিয়ে গঠিত ডনবাসের যেকোনো একটিকে দখল করতে পারলেই পুতিন তার দেশের জনগণের সামনে সত্যিকারের একটি অর্জন উপস্থাপন করতে পারবেন। অভিযানের শুরুর দিককার ব্যর্থতা ভুলিয়ে দিতে যেটি তার জন্য খুবই জরুরি।
তবে সম্পূর্ণ লুহানস্ক নিয়ে নেয়ার সম্ভাবনা বাড়তে থাকলেও, তা এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। রাশিয়ার পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে লিসিচানস্ক শহর, যা এখনও পুরোপুরি ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে।
সেভেরোদোনেৎস্ক থেকে সরে যাওয়ার পর ইউক্রেনীয় সেনারা এই লিসিচানস্কেই আশ্রয় নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে লিসিচানস্ক কেনো গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝতে হলে এই অঞ্চলের ভৌগলিক অবস্থান ও যুদ্ধে এখন পর্যন্ত এই ভূমিকা বুঝতে হবে।