শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

দেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না: আইনমন্ত্রী

দেশের সর্বোচ্চ আদালত অবৈধ ঘোষণা করায় দেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেছেন, ‘যেহেতু দেশের সর্বোচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতিকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন, সেহেতু দেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না।’

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ন্যাশনাল স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন অন ইনস্টিটিউশনাল অব প্যারা লিগ্যাল অ্যাপ্রোচ’ শীর্ষক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে, তাই সর্বোচ্চ আদালতের ওই রায় মান্য করে। তিনি বলেন, দেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন নিশ্চয়ই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ, যেখানে আইনের মাধ্যমে একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। এ নির্বাচন কমিশন জনগণকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেবে। এটার জন্য কারও দরজায় গিয়ে তদবিরের দরকার হবে না।

বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে আনিসুল হক বলেন, সারা বিশ্বে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়। এভাবেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশেও দলীয় সরকারের অধীন নির্বাচন হবে। ভোট হবে নির্বাচন কমিশনের অধীন। নির্বাচনের সময় যে সরকার থাকবে, তারা শুধু দৈনন্দিন কাজ করার জন্যই থাকবে। সেটা আইনের মধ্যেই আছে। আশা থাকবে সবাই নির্বাচনে আসবে।

বিএনপির নেতা-কর্মীদের মুক্তির বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি বিনা অপরাধে কারাগারে থেকে থাকেন, রাজনৈতিক কারণে থাকেন অবশ্যই মুক্তি পাবেন। কিন্তু কেউ যদি মামলার আসামি হিসেবে থেকে থাকেন, তাহলে আদালত ছাড়া মুক্তি সম্ভব না।

মামলাজট কমাতে সরকারের বেশ কিছু উদ্যোগের কথা জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিককালে মামলা বেশি হচ্ছে। মামলাজটের সঠিক পরিসংখ্যান জানতে একটা কমিটি করা হয়েছে। তারা প্রকৃত মামলার পরিমাণ আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে জানাতে পারবে।

অনুষ্ঠানে আইনি সহায়তাকারী বা প্যারা লিগ্যাল কর্মীদের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। ২০০৮ সাল থেকে বিভিন্ন এনজিওর সহায়তায় ৪০টি জেলায় প্যারা লিগ্যাল কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে ১০টি জেলায় এ কার্যক্রম রয়েছে। জার্মান দাতা সংস্থা জিআইজেডর আর্থিক সহায়তা এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি, ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন, জার্মান রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রস্টার, জি আই জেড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আন্দ্রেয়াস কুক, রুল অব ল প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম হেড প্রমিতা সেন গুপ্তা প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com