রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের পাশাপাশি সরকারেরও আগ্রহ রয়েছে। তবে যন্ত্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠান নিয়ে রাজনীতিতে চলছে বিতর্ক। নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করে সেই বিতর্কের অবসান ঘটাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমন আলোচনা এখানেও আছে যে, ইভিএম প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন এখনো ভোটার ও অংশীজনদের আস্থা অর্জন করতে পারেনি।
এরই মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা ইভিএম সম্পর্কে বেফাঁস কথা বলে বিতর্কের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে সহায়তা করে যাচ্ছেন। যেন বিতর্ক আরও উসকে দিতে কাজ করছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরাই।
স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন এলেই ক্ষমতাসীন দলের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা ইভিএম নিয়ে বেফাঁস কথা বলতে শুরু করেন। এ কারণে ইভিএম নিয়ে জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে যে মতপার্থক্য ও অনাস্থা তৈরি হয়ে আছে তা আরও ঘনীভূত হয়। এছাড়া ইভিএমে আস্থা অর্জনে নতুন নির্বাচন কমিশনের চলমান কার্যক্রমেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। ইভিএম নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের মাঠপর্যায়ের নেতাদের অগ্রহণযোগ্য এসব বক্তব্য সরকারকেও বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি পড়তে হয়। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে দল থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে বিতর্কিত মন্তব্য করার নেতাকর্মীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। এতে করে ইভিএমে ভোটগ্রহণ নিয়ে বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আপত্তির বিষয়টি আরও জোরালো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের একজন কর্মকর্তা এমনটাই মনে করছেন।
ওই কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, এমন বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনের কর্তাব্যক্তিদেরও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। সংলাপে আসা রাজনৈতিক নেতারা এসব বিষয় উদাহরণ হিসেবে কমিশনের কাছে তুলে ধরেন।