রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
সরকার পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যাবহার করে বিরোধী দলের আন্দোলন দমন করতে চায়। ভোলার ঘটনা তারই উদাহরণ বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার সকালে নয়াপল্টনে এক গায়েবানা জানাজায় তিনি একথা বলেন।
এসময় মির্জা ফখরুল শোককে শক্তিতে পরিণত করে সরকার বিরোধী আন্দোলনকে গতিশীল করা হবে বলে মন্তব্য করেন।
সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গতকাল ভোলায় পুলিশের গুলিতে নিহত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবদুর রহিমের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। জানাজায় যোগ দেয়া নেতারা এই হত্যার বিচার দাবি করেন।
এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় ভোলায় আবদুর রহিমের হত্যার প্রতিবাদে দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। নিহত বিএনপির ওই নেতার গায়েবানা জানাজা পল্টনের পাশাপাশি সারা দেশে অনুষ্ঠিত হয়। দুইদিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার রাজধানীসহ সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে দলটি।
এদিকে, ভোলায় বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশে পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ওই ঘটনায় বিএনপির ৭৫ নেতা-কর্মীসহ অজ্ঞাত ৩০০ জনকে আসামি করে দুটি মামলা করেছে পুলিশ। রোববার রাতে ভোলা সদর থানায় মামলা দুটি দায়ের করা হয়।
দুপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী রহিম মাতবরের ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে শহরের গোরস্থান জামে মসজিদে জানাযা শেষে কোড়ালিয়া গ্রামে দাফন করা হয় তাকে।
এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলেন পুলিশ সুপার জানান, শর্ট গানের গুলিতে মারা যাননি রহিম। ইট বা অন্য কিছুর আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে। যদিও কর্মী নিহতের ঘটনায় পুলিশকে দায়ী করছেন বিএনপি নেতারা। আজও বিএনপি কার্যালয়ের আশেপাশের এলাকায় মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।
রোববার জ্বালানি, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে রাস্তায় বের হলে পুলিশ বাধা দেয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও গুলিবিদ্ধসহ আহত হন অর্ধশতাধিক মানুষ।