বুধবার, ০৮ Jul ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
দেশে গত জুলাই মাসে ৬৩২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭৩৯ জন নিহত এবং ২ হাজার ৪২ জন আহত হয়েছেন।
এ সময় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনায় পড়েছে মোটরসাইকেল। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে এই দুই চাকার যানের আরোহীই বেশি।
শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুর্ঘটনার মাসভিত্তিক তথ্য জানিয়েছে রোড সেইফটি ফাউন্ডেশন।
৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যেও মোটরসাইকেল বেশি। জুলাই মাসে সম্পৃক্ত ১ হাজার ২১৮টি যানবাহনের মধ্যে মোটর সাইকেল ৩১৭টি।
এছাড়া বিভিন্ন ধরনের তিন চাকার যান ২২১টি, ১৭৯টি ট্রাক, ১৮৮টি বাস, ৫৬টি পিকআপ, ২১টি কভার্ডভ্যান এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি নসিমন-করিমনের মতো ৮২টি যানবাহন এ সময় দুর্ঘটনায় পড়েছে।
রোড সেইফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য অুনযায়ী, জুলাই মাসে নিহতদের মধ্যে প্রাইভেটকারের যাত্রী ছিলেন ৫৭ জন। এছাড়া তিন চাকার বিভিন্ন যানের যাত্রী ১৪৯ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি নসিমন-করিমনের মতো যানবাহনের যাত্রী ২৬ জন এবং বাইসাইকেল-রিকশার যাত্রী ছিলেন ২২ জন।
জুলাইয়ের দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ২৫২টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৯৯টি আঞ্চলিক সড়কে, ১০৯টি গ্রামীণ সড়কে, ৬৪টি শহরের সড়কে এবং অন্যান্য স্থানে ৮টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।
রোড সেইফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, জুলাই মাসে সারাদেশে ২৬টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ৪১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩৩ জন আহত হয়েছে। রেলপথ দুর্ঘটনায় রেলক্রসিংয়ে ঘটা দুর্ঘটনাগুলো যুক্ত করা হয়েছে।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন তাদের পর্যবেক্ষণে বলেছে, দেশে অরক্ষিত রেলক্রসিং ক্রমাগত বাড়ছে এবং এসব রেলক্রসিংয়ে মাঝে-মধ্যেই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটছে।
গত জুলাই মাসে অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ে তিনটি বড় দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া রেল ট্র্যাকে দুর্ঘটনা তো ঘটছেই।
দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘মানসিক ও শারীরিকভাবে’ অসুস্থ ড্রাইভারদের বেপরোয়া গতিতে পণ্যবাহী যানবাহন চালানো এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর কারণে তারা নিজেরা দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে এবং অন্যান্য যানবাহনকে আক্রান্ত করছে।