বুধবার, ০৮ Jul ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন

শ্রীলঙ্কাকে মাঠে জবাব দেওয়ার পালা

ম্যাচের আগে এখন আর কথার লড়াই হয় না। দুদলই একে-অপরকে সমীহ করে মাঠে নামে। আর ব্যাট-বলের লড়াইয়ে জিতে এগিয়ে যায়। অনেকদিন পর কথার লড়াই উত্তাপ ছড়িয়ে দিয়েছে এশিয়া কাপে। আর এ লড়াই শুরু করেছে শ্রীলঙ্কা। যার জবাবটা দিল বাংলাদেশ। চূড়ান্তটা দেখা যাবে আজ মাঠে। বাংলাদেশকে আফগানিস্তানের চেয়ে সহজ প্রতিপক্ষ বলেছিলেন লঙ্কান অধিনায়ক দাশুন শানাকা। কাল লঙ্কানদের পাল্টা জবাব দিলেন বাংলাদেশ টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। সাবেক অধিনায়কের কথায়, লঙ্কার তো মানসম্পন্ন বোলারই নেই।

এর আগেই ক্রিকেটের বাইরের লড়াইয়ে মেতেছিল দুই প্রতিপক্ষ। চার বছর আগে শ্রীলঙ্কায় নিদাহাস ট্রফিতে প্রায় হাতাহাতি অবস্থা দুই দলের ক্রিকেটারদের। সেই আমেজ আবারও ফিরিয়ে এনেছেন তারা। গ্রুপ পর্ব শুরুর আগে শানাকা বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের চেয়ে আফগানিস্তান কঠিন প্রতিপক্ষ। বাংলাদেশের সাকিব-মোস্তাফিজ ছাড়া ভালো মানের বোলার নেই। কিন্তু আফগানিস্তানে বেশ কয়েকজন আছে। তাই আফগানদের চেয়ে বাংলাদেশকে মোকাবিলা করা সহজ হবে।’ শানাকার কথায় ভুল ছিল না। আফগানদের সামনে প্রথম ম্যাচে তারা দাঁড়াতেই পারেনি।

মাঝে মেহেদী হাসান মিরাজ জবাব দিয়েছিলেন ভালো-খারাপ মাঠে প্রমাণ হবে বলে। কাল বাংলাদেশের টিম ডিরেক্টরের কাছে প্রসঙ্গটা যেতেই তেতে উঠলেন যেন, ‘কেন সে এমন কথা বলেছে আমি জানি না। হয়তো আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড একটু ভালো সেজন্য বলেছে। সে আরও বলেছে আমাদের মাত্র দুজন বোলার আছে। আমি তো শ্রীলঙ্কা দলেই কোনো বোলার দেখি না। আমাদের তো তাও অন্তত দুজন আছে সাকিব ও মোস্তাফিজ। আমি মনে করি না যে তাদের সাকিব ও মোস্তাফিজের মতো বিশ্বমানের বোলার আছে। কথা না, মাঠের খেলায় কী হয় সেটা গুরুত্বপূর্ণ। দেখা যাক কাল কী হয়।’

কথার লড়াই পাশে রাখা যাক। এমনিতেও বেশ রেগে আছেন সুজন। তার মতে যেমন পরিকল্পনা করেছিলেন তার কিছুই প্রতিফলন করতে পারেননি ক্রিকেটাররা। তাই চিন্তাটা প্রতিপক্ষকে নিয়ে না করে নিজেদের নিয়ে করার পক্ষে সুজন। টি-টোয়েন্টির মানসিকতা কোনো ভাবেই আনতে পারছেন না বলে আক্ষেপ করলেন। অনুশীলনে সব ঠিক থাকলেও মাঠে গিয়ে বারবার ভুল করলেন ক্রিকেটাররা। সুজনের আশা এই অবস্থার একটা বদল আসবে, ‘মানসিকতা যা বলেছি, বোঝানোর পর এবং অনুশীলনের পরও যদি সেই পুরনো ধাঁচে খেলে তো সেটা কষ্ট দেয়। আমরা বাইরে থেকে তাদের মোটিভেট করতে পারি। কিন্তু মাঠে গিয়ে ওদেরই খেলতে হবে। কীভাবে চার-ছক্কা আসবে সেটা ওদের বের করতে হবে। যদি ওরা সেই পরিবর্তনের মানসিকতায় আসত দেখতাম তাহলে আমরা মন খারাপ করতাম না। কিন্তু ডিফেন্স করে আউট হওয়াটা কষ্ট দেয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com