মঙ্গলবার, ০৭ Jul ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
ক্রাইমিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে হামলার প্রতিশোধ নিতেই ইউক্রেইনজুড়ে রুশ বাহিনীর ব্যাপক হামলা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
ক্রিমিয়া সেতুতে বিস্ফোরণের জন্য ইউক্রেনকে সরাসরি দায়ী করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার মতে, এটি একটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। এদিকে, হামলার ঘটনায় কিছু রুশ নাগরিক সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছেন সেতু বিস্ফোরণ তদন্ত কমিটির প্রধান।
ক্রিমিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার একমাত্র সংযোগ-সেতুতে হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ ঘটনাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
পুতিন বলেন, এতে কোনও সন্দেই নেই যে, এটি একটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করার জন্যই হামলাটি পরিচালিত হয়েছে। যারা এই হামলার নির্দেশ দিয়েছে তারা ইউক্রেনের গোয়েন্দা বাহিনীর কর্মকর্তা।
রোববার পুতিনের সাথে বৈঠক করেন সেতুতে বিস্ফোরণের তদন্ত কমিটির প্রধান আলেকজান্ডার ব্যাস্ট্রিকিন। কয়েকজন রুশ নাগরিক ও কয়েকটি বিদেশি রাষ্ট্র এই সন্ত্রাসী হামলায় সহায়তা করেছে বলে জানান তিনি। সেতুতে হামলার বিষয়ে আজ রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাথে বৈঠকে বসবেন পুতিন।
জাপোরঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় রাশিয়াকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, সন্ত্রাসবাদ একটি অপরাধ যার শাস্তি হওয়া উচিত। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সন্ত্রাসবাদ হলো সবচেয়ে জঘন্য আন্তর্জাতিক অপরাধের একটি। এটি শুধু একক দেশ নয়, বিশ্ববাসীকে হুমকির মুখে ফেলে। রাশিয়া ইউক্রেনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
রাশিয়ার সঙ্গে সব ধরনের অর্থনৈতিক যোগাযোগ বন্ধ রেখে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতা থেকে বিরত থাকতে বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানান জেলেনস্কি।
এদিকে, বৈশ্বিক খাদ্য সংকট সমাধানে ভূমিকা রাখতে রাশিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রোববার কৃষি ও শিল্প শ্রমিক দিবস উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন তিনি। এসময় দরিদ্র দেশগুলোকে সহায়তার আশ্বাসও দেন তিনি।