রবিবার, ০৫ Jul ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় গণসমাবেশ সফল করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন বিএনপি নেতারা। সমাবেশের স্থান নিয়ে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এক ধরনের অনিশ্চয়তা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সমাবেশ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট মাঠে আজ শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে গতকাল থেকেই আন্ত জেলা বাস চলাচল অঘোষিতভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। আর একই দিন বিকেলে নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগও সমাবেশ আহ্বান করেছে।
দুই সমাবেশ নিয়েই নগরীতে কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে এবং জ্বালানি তেল, চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বিএনপির নেতাকর্মী হত্যা, হামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ময়মনসিংহে এই বিভাগীয় গণসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
স্থান নির্ধারণ নিয়ে জটিলতায় শুক্রবার সকালে ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের জন্যই সার্কিট হাউস মাঠ চাওয়া হয়েছে।
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জানান, সার্কিট হাউস ময়দানে সমাবেশ করার জন্য গত ৬ অক্টোবর প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু অনুমতি দেওয়া হলো শুক্রবার সন্ধ্যায়। তিনি বলেন ভয়ভীতি দেখিয়ে সমাবেশ বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।
এদিকে মহানগর আওয়ামী লীগ গতকাল শুক্রবার বিকেলে নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। আজ শনিবার একই স্থানে জেলা আওয়ামী লীগ একই কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেছেন, ‘বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে কোনো বিশৃঙ্খলা বা জনগণের জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করা হলে প্রতিহত করা হবে। ’
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে। তবে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হলে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আর জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি মমতাজ উদ্দিন মন্তা জানান, বাস বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কোনো মালিক যদি তাঁর ব্যক্তিগত কারণে বাস বন্ধ রাখেন সেটা তাঁর ব্যাপার।