রবিবার, ০৫ Jul ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
বিশ্বব্যাপী আধিপত্য ধরে রাখতে পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারকে আরও শক্তিশালী করতে ব্যস্ত ক্ষমতাধর দেশগুলো। এরই মধ্যে পরমাণু অস্ত্র সমৃদ্ধ দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নাম যোগ হয়েছে চীনের। বাইডেন প্রশাসনের পর্যালোচনা তুলে ধরে মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, এর ফলে নতুন করে বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার শঙ্কা দেখা দেবে।
দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াকে টক্কর দেয়ার এতোদিন কেউ না থাকলেও বর্তমানে এই তালিকায় যোগ দিতে যাচ্ছে চীন।
সম্প্রতি পারমাণবিক অস্ত্র বিষয়ে মার্কিন পর্যালোচনা তুলে ধরেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যা প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।
বাইডেনের পর্যালোচনা অনুযায়ী, ২০৩০ সাল নাগাদ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দুটি বড় পারমাণবিক পরাশক্তির মুখোমুখি হবে। যা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতাকে নতুনভাবে চাপে ফেলবে ।
এদিকে, বহু বছর চীন পারমাণবিক অস্ত্র সীমিত রাখলেও চলতি দশকের শেষ নাগাদ এর সংখ্যা অন্তত ১ হাজার ছাড়াবে বলে শঙ্কা বাইডেন প্রশাসনের। পাশাপাশি রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পথ ধরে জল, স্থল ও আকাশ থেকে ছুড়তে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে তারা। যা মাথা ব্যথার কারণ মার্কিন প্রশাসনের।
বাইডেনের পর্যালোচনায় দেখা যায় তিনটি দেশই নতুন ধরনের অস্ত্র তৈরির প্রতিযোগিতায় রয়েছে। যার মধ্যে আছে-হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও সাইবার অস্ত্র। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার হাতে স্বল্পপাল্লার অন্যান্য পারমাণবিক অস্ত্র তো রয়েছে-ই। যা কখনো কোনো চুক্তির আওতায় ছিল না।
আর্মস কন্ট্রোল এসোসিয়েশন বলছে শুধু রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনই নয়, বিশ্বের মোট নয়টি দেশের হাতে রয়েছে উন্নত পারমাণবিক অস্ত্র।