শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

চাল উৎপাদনে নতুন আশা

ঘনবসতি আর আয়তনে ছোট হলেও বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় চাল উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় জায়গা নিতে যাচ্ছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা-এফ-এ-ও’র আভাস ২০২২ সালে দেশে চাল উৎপাদন বেড়ে ৩ কোটি ৮৪ লাখ টন হবে। তবে ব্রি ৮৯ এবং ব্রি ৯২ নামে নতুন জাতের ধান কৃষকের কাছে এলে চাল উৎপাদন আরও বাড়বে। এখন ২৫ কোটি মানুষের চাল উৎপাদনের লক্ষ্য ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের।

সাড়ে ৭ কোটি থেকে জনসংখ্যা ১৬ কোটির বেশি। এক সময়ের খাদ্য ঘাটতির দেশে এখন চাল উদ্বৃত্ত থাকে ৩০ লাখ টন।

চাল উৎপাদন বাড়াতে বিআরআরআইয়ের উদ্ভাবিত ব্রি ২৮ ও ব্রি ২৯ জাতের বড় অবদান। তবে এবার ব্রি ৮৯ ও ব্রি ৯২ জাত আবিষ্কারে উৎপাদন আরও বাড়ার আশা।

বিআরআরআই-এর চিফ বায়োটেকনোলজিস্ট ড. মো. এনামুল হক বলেন, ব্রি ৮৯-৯২ এর প্রডাক্টিভিটি অনেক বেশি। পুষ্টিগুণও বেশি। চাল ঝরঝরে, চিকন হয়। ব্র্রি ৮৯ তুলনামূলক মোটা, বেশি মোটা নয়। ৯২ একটু লম্বা। দুটি চালই খেতে সুস্বাদু।

২০১৮ সালে ব্রি ৮৯ এবং ২০১৯ সালে ব্রি ৯২ অবমুক্ত করা হয়। বোরো মৌসুমে আবাদযোগ্য এই দুটি জাত কৃষকের কাছে দ্রুতই পৌঁছে যাবে। তখন উৎপাদন আরও বাড়বে। প্রতি হেক্টরে মিলবে দেড় থেকে দুই মেট্রিক টন বেশি ধান।

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, ব্রি ৮৯ ও ৯২ এর ডেসিমিনেশন রেট অনেক অনেক হাই। ১-২ বছরের মধ্যে আমরা সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছি। এটি আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা পিগে নিয়ে যেতে পারব।

খাদ্য উৎপাদন বাড়লেও প্রতিবছর ২৫ লাখ নতুন মুখ যোগ হচ্ছে দেশে। তাই বাড়তি মুখের খাদ্য নিশ্চিত করতে গবেষণার মান ও দক্ষতাও বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, আমাদের টার্গেট প্রতিবছর সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন বাড়ানো। আমরা ৬ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন হারে বাড়াচ্ছি। ব্রিতে বিশ্ব মানের ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছি। বিশ্ব মানের বিজ্ঞানী তৈরি করার জন্য কাজ করছি। ২৫ কোটি লোককে খাওয়াতে হবে, সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন বাড়াতে কৃষক অবদান রাখলেও তারা ফসলের নায্য মূল্য পান না। তাই ধানের উন্নত জাত এলেও চাষে আগ্রহ হারাবে কৃষক।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com