শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
অগ্রহায়ণের শেষে কড়া নাড়ছে পৌষ। প্রকৃতিতে শীতের আমেজ থাকলেও, এখনও নেই কনকেন ঠাণ্ডা। গরম কাপড় নিয়ে শীত মোকাবিলার প্রস্তুতিও শেষ। আবহাওয়া অফিস বলছে, ডিসেম্বরের শেষের দিকে বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা। তবে জানুয়ারির আগে নেই শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা।
গাছের পাতায় শিশিরের খেলা। গাঁদা আর চন্দ্রমল্লিকার গায়ে ভোরের মিঠে রোদের স্পর্শ। শীতকে আমন্ত্রণ জানাতেই হয়তো প্রকৃতির এমন আয়োজন।
ঋতুচক্রে এখন হেমন্তের বিদায়ের সুর। দরজার আড়ালে উঁকি দিচ্ছে শীত। তবে প্রকৃতিতে এখনও তেমন করে লাগেনি শীতের ছোঁয়া। শীতের সঙ্গে হেমন্তের কোথায় যেন এক বন্ধুতা। তাইতো চলে এমন খেয়ালিপনা।
প্রকৃতিতে শীত, হেমন্তের খেলা চললেও কর্মজীবনে এমন ফুরসত নেই। কুয়াশার চাদর সূর্যের খরতাপ আড়াল করতে পারলেও, প্রশমিত করতে পারে না শ্রমজীবী মানুষের অবিরাম ছুটে-চলা। তাইতো প্রকৃতি যখন বন্ধুর সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে তখন সাধারণ কৃষক ব্যস্ত কাজে।
এদিকে শীত জেঁকে না বসলেও ঠাণ্ডার হাত থেকে রেহাই পেতে এখনই জমে উঠেছে গরম কাপড়ের বাজার।
আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান খান জানান, বৃষ্টি কম হওয়ার কারণে এ বছর তীব্র শীত পড়তে দেরি হতে পারে।
পূর্বাভাস বলছে, ডিসেম্বরে উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা নামতে পারে ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি। আর অন্য জেলাগুলোতে থাকবে ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কারও জন্য শীত একটি উপভোগ্য ঋতু হলেও অনেকের কাছে শীত মানে বাড়তি খরচ, বাড়তি কষ্ট। রাজধানীর ফুটপাত কিংবা রেলওয়ে স্টেশনে যে ছিন্নমূল মানুষদের বাস, তাদের জন্য শীত নিয়ে আসে বাড়তি দুর্ভোগ।