রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
গোটা বলিউড জানত বচ্চন পরিবারের বধূ হবেন কারিশমা কাপুর। কিন্তু নিয়তির যে অন্য ইচ্ছে। সব ঠিকঠাক হয়ে গেলেও আচমকাই ভেঙে যায় কারিশমা ও অভিষেক বচ্চনের বিয়ে। ২০০৩ সালে দিল্লির শিল্পপতি সঞ্জয় কাপুরের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন বলিউডের ‘জুবাইদা’। তার পর থেকে অশান্তি যেন অভিনেত্রীর নিত্যসঙ্গী। টালমাটাল দাম্পত্যের মাঝেই জন্ম মেয়ে সামাইরা ও ছেলে কিয়ানের।
সন্তানের বাবা-মা হওয়ার পরও কিন্তু সুখ ফেরেনি অভিনেত্রীর সংসারে। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর শরীরে মেদ জমা নারী শরীরের এক স্বাভাবিক পরিবর্তন। কারিশমারও তেমনটাই হয়েছিল। কিন্তু শরীরে বাড়তি মেদের কারণে রীতিমতো মারধরের শিকার হতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে।
১৩ বছরের দাম্পত্যে আচমকা কেন ইতি টেনেছিলেন কারিশমা! এ প্রসঙ্গে একটা সময় প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় অভিনেত্রীকে। বিবাহ বিচ্ছেদের পর দাম্পত্য জীবনের গোপন সব কথা প্রকাশ্যে আনেন তিনি।
কারিশমা জানান, বিয়ের পর দিন থেকেই তার স্বামী সঞ্জয় কাপুর এবং শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার ওপর মানসিক অত্যাচার শুরু করেন। প্রতিনিয়ত চলত শারীরিক নির্যাতন। শুধু কী তাই? অভিনেত্রী জনান, একবার সঞ্জয় অভিনেত্রীকে থাপ্পড় মারার নির্দেশ দেন নিজের মাকে। কারণটা ছিল, ছোট পোশাকে কারিশমাকে মানাচ্ছিল না। সদ্য সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। সেই সময় শরীরে মেদ জমায় ছোট পোশাক পরতে রাজি হননি অভিনেত্রী। যার ফলেই স্বামীর এমন কথা শুনতে হয় তাকে।
এক সাক্ষাৎকারে কারিশমার স্বামীর বিষয়ে বলতে গিয়ে অভিনেত্রীর বাবা রণধীর কাপুর বলেছিলেন, ‘সঞ্জয় একেবারেই নিম্নশ্রেণির মানুষ ছিলেন। হিংস্রতা ছাড়া ওর মধ্যে আর কিছুই ছিল না।’