বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের দাবিতে গণমিছিল করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। কর্মসূচি শেষে, খালেদা জিয়াসহ রাজবন্দিদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ১১ জানুয়ারি প্রেস ক্লাবের সামনে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দিয়েছে সাত দলের এই জোট।
শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে এই গণমিছিল শুরু হয়ে পল্টন মোড় ও বিজয়নগর হয়ে কাকরাইল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এই সরকার গায়ের জোরে প্রশাসনকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের ওপরে দমন-নিপীড়ন চালিয়ে ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতায় আছে।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সাথে সংলাপ ছিল। প্রধানমন্ত্রী বললেন, এবারে মানুষের ভোট দিতে কোনো সমস্যা নাই। মানুষের কাছে দেওয়া ওয়াদা তারা রাখেননি। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ওয়াদা দিয়ে যারা ভঙ্গ করে তাদেরকে কী বলে? এই সরকার আজকে ৪ বছর ধরে ওয়াদা ভঙ্গ করার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আছে।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এই মুনাফেকি সরকারকে দিয়ে কি কোনো সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন সম্ভব? এজন্য আমরা বলেছি নির্বাচনের আগে অবশ্যই এই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে হবে। পদত্যাগের পরে আলাপ-আলোচনা করে একটি নির্বাচনকালীন অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেই সরকার বাংলাদেশে একটি অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করবেন।
সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের পতন ঘণ্টা বেজে উঠেছে। গত দুই দিনে বাংলাদেশে দুটি ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে মেট্রোরেলের যুগে প্রবেশ করেছে, একই সাথে আওয়ামী লীগ জামানত হারানোর যুগে প্রবেশ করেছে।
যারা দেশ ধ্বংস করতে চায়, নাগরিকের অধিকার কেড়ে নিতে চায়। বাংলাদেশের নাগরিকরা এটা হতে দেবে না। সেই জন্য আমরা গণতন্ত্র মঞ্চ আওয়াজ তুলেছি, বলেন সাকি।
সমাবেশ শেষে গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু জোটের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।