বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

ট্রাম্পের আয়কর নথি প্রকাশ করল ডেমোক্র্যাটরা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছয় বছরের ট্যাক্স রেকর্ড প্রকাশ করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাট সরকার। ছয় বছরের দীর্ঘ তিক্ত লড়াইয়ের পর অবশেষে শুক্রবার সেই নথি প্রকাশ পেয়েছে। যা ট্রাম্পের জন্য ২০২৪ সালে ফের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আরেকটি সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ট্রাম্প তার করের নথি দীর্ঘদিন ধরেই গোপন রাখতে চেয়েছিলেন। ডেমোক্র্যাটরা ২০১৯ সাল থেকে ট্রাম্পের কর নথি চেয়ে আসছিল, তবে ট্রাম্প তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

পরে গত সপ্তাহে নথিটি প্রকাশের পক্ষে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ‘ওয়েস অ্যান্ড মিনস কমিটি’র ভোটের মধ্য দিয়ে চারবছরের এই আইনি লড়াইয়ের অবসান হয়।

স্যোশাল সিকিউরিটি এবং ব্যাংক একাউন্ট নাম্বারের মতো কিছু স্পর্শকাতর তথ্য সম্পাদনা করে ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময়কার এ আয়কর নথি প্রকাশ করা হয়েছে।

এমন সময় এ নথি প্রকাশ হলো যখন আর মাত্র কয়েক দিন পর ফের মার্কিন সংসদের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে চলেছে রিপাবলিকানরা। এই কর নথিগুলো থেকে সামনে আসতে পারে ট্রাম্পের আর্থিক অবস্থা, সম্পদ, আয়ের উৎস, দাতব্য খাতে অবদান কিংবা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকা তার ঋণের তথ্যও।

এর আগে কর সংক্রান্ত জয়েন্ট কমিটির (জেসিটি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ট্রাম্প তার প্রেসিডেন্সির শেষ বছর ২০২০ সালে কোনও ফেডারেল আয়কর দেননি। ২০১৭ সালে তিনি মাত্র ৭৫০ ডলার আয়কর দিয়েছিলেন। আর ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে ট্রাম্প মোট ফেডারেল আয়কর দিয়েছিলেন ১১ লাখ ডলার।

শুক্রবার শত শত পাতার কর নথি প্রকাশের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প শিবির হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছে, এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিভেদ আরও বাড়বে।

ট্রাম্পের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ডেমোক্র্যাটদের কখনও এটি করা উচিত ছিল না। সুপ্রিম কোর্টের এটি কখনওই অনুমোদন করা উচিত ছিল না। এটি বহু মানুষের জন্য ভয়াবহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।’ তবে ডেমোক্র্যাটরা বলছে, এই কর নথি প্রকাশ করাটা অপরিহার্য ছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্টদের কর নথি প্রকাশের কোনও আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। তবে দশকের পর দশক ধরে প্রেসিডেন্টরা স্বেচ্ছায়ই তাদের কর নথি প্রকাশ করে আসছেন। কিন্তু ট্রাম্প কর নথি প্রকাশ না করে বরং তা আড়ালে রাখতেই লড়াই করে এসেছেন।

রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হিসেবে ট্রাম্প ২০১৬ সালের যুক্তরাষ্টের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছিলেন।

এরপর ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি পরাজিত হন। সম্প্রতি ট্রাম্প ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী দৌড়ে নামার ঘোষণা দিয়েছেন।

ডেমোক্র্যাটরা ইতিমধ্যেই একটি নতুন আইন পাশ করেছে। নতুন এই আইন অনুযায়ী কোনো নতুন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব গ্রহণ করার ৯০ দিনের মধ্যেই কর-সংগ্রহকারী অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবা বিভাগ তার কর নথিপত্রের অডিট সম্পূর্ণ করতে বাধ্য থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com