বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ আসছে মার্চে: নসরুল হামিদ

বাংলাদেশের জন্য স্থাপিত ভারতের আদানি গ্রুপের ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিচ্ছে বাংলাদেশ। মার্চে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১৪৯৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিতে চায় আদানি গ্রুপ। ডলার সংকটের কারণে সরকার রুপি দিয়ে এই বিদ্যুৎ কেনার কথা ভাবছে বলেও জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরে আদানি গ্রুপের সাথে বিদ্যুৎ কেনার সমঝোতা করে বাংলাদেশ। এরপর ভারতের ঝাড়খণ্ডে ১৬০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করে আদানি গ্রুপ। যার প্রথম ইউনিট এরই মধ্যে চালু হয়েছে, ২য়টির কাজ শেষ হবে মার্চে।

কয়লা দিয়ে উৎপাদিত হলেও এই বিদ্যুতের দাম পড়ছে প্রতি ইউনিট ১৭ টাকা। কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে কয়লার দাম বাড়ায় শুধু আদানি গ্রুপ নয়, পায়রাসহ অন্যান্য কেন্দ্রের বিদ্যুতের দামও বেড়েছে।

তবে আদানি গ্রুপের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন, ভারত সরকারের নিয়ম অনুযায়ী আমদানি করা কয়লা দিয়েই এই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হচ্ছে। যার কারণে দাম পড়ছে বেশি।

আদানি পাওয়ার লিমিটেডের সিইও অনিল কুমার সরদার বলেন, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এটি চালু করতে যাচ্ছি। বিশ্ববাজার থেকে কয়লা আমদানি করে এই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক দামের সাথে সমন্বয় করে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে, দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বাড়ানোর লক্ষ্যেই সরকার আদানি গ্রুপকে বাংলাদেশের জন্য ভারতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসানোর অনুমোদন দিয়েছে বলেও জানান নসরুল হামিদ।

ভারতের ঝাড়খণ্ড থেকে ২০০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন দিয়ে বিদ্যুৎ যাবে বাংলাদেশে। চুক্তি অনুযায়ী এই কেন্দ্রের বিদ্যুৎ মিলবে কমপক্ষে ২০ বছর।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com