শনিবার, ০৪ Jul ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
নেইমারের প্রেমের জীবন নিয়ে লোকের ভাবনা যে সব সময় ঠিক, তা কিন্তু নয়। এই তো কিছুদিন আগেই গুঞ্জন উঠেছে, মডেল এবং ডিজিটাল ইনফ্লুয়েন্সার জেসিকা তুরিনির প্রেমে পড়েছেন নেইমার। ২০১৪ সালে সুন্দরী প্রতিযোগিতা মিস এসপিরিতো সান্তোতে প্রথম হয়েছিলেন তুরিনি।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এ খবর জানিয়েছিল নতুন বছর শুরুর পরপরই। নতুন বছর বরণ করে নিতে নেইমার যে পার্টি দিয়েছিলেন, সেখানে নাকি ছিলেন তুরিনি।
পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম ফ্লাশ এ খবর জানিয়েছে। তাদের শিরোনাম ‘গোপন বন্ধু: মার্গারিদা কোরচেইরোর কাছে নেইমারের আত্মসমর্পণ’। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ল্যান্স ও নোটিসিয়াসও এ খবর প্রকাশ করেছে। তবে কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি। মার্গারিদার সঙ্গে ফেলিক্সের সম্পর্ক কাতার বিশ্বকাপের পরপরই শেষ হয়ে গেছে বলে দাবি করেছে ফ্লাশ। পর্তুগিজ এই অভিনেত্রী ও মডেলের সঙ্গে ফেলিক্সের সম্পর্কে আস্থার সংকট ছিল এবং দুজন দুই শহরে থাকায় বিষয়টি আরও ঘনীভূত হয়, তাই শেষ পর্যন্ত ছেড়ে গেছেন একে অপরকে। কিন্তু তারপর?
মার্গারিদা কিছুদিনের জন্য প্যারিসে এসেছিলেন। আইফেল টাওয়ারের সামনে কিছু ছবিও তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর একজন বিশেষ অনুসারী আছেন, আর সেই অনুসারীটি নেইমার। মার্গারিদার বিভিন্ন ছবিতে লাইক দেন ব্রাজিল তারকা। এ নিয়ে গুজব চাউর হতে সময় লাগেনি। মার্গারিদাও নেইমারের বিভিন্ন ছবিতে লাইক দেন। আর শুধু লাইক দেওয়ায় কারও সঙ্গে কারও প্রেমের সম্পর্ক ভেবে নেওয়াও ঠিক যুক্তিসংগত হয় না। নেইমার এসব গুজবের কথা ভেবেই হয়তো মার্গারিদাকে আনফলো করেন।
তাই বলে মানুষের মুখ তো আর বন্ধ রাখা যায় না। মার্গারিদা তাই লোকের মুখ বন্ধ করতে এবার নিজেই মুখ খুলেছেন। নেইমারের সঙ্গে তার প্রেমের গুজব নিয়ে ধুয়ে দিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে।
নিজের ইনস্টাগ্রামে এ নিয়ে পর্তুগিজ অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘আপনারা সবাই জানে, পত্রপত্রিকায় আমাকে নিয়ে যা লেখা হয়, তার কোনো কিছুই আমি পড়ি না। প্রথম কারণ, ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় সেগুলো মিথ্যা (সেটা এমনই যে দুই দিনের ব্যবধানে সম্পূর্ণ বিপরীত দুটি প্রচ্ছদও হয়)। দ্বিতীয় কারণ, সেগুলো যেহেতু মিথ্যা, তাই পড়ার কোনো প্রয়োজন নেই। জীবনে এসব কোনো কিছু যোগ করে না। একটি মেয়ের বন্ধু থাকা, সুখী থাকা ও নিজের মতো চলাকে কি আমরা স্বাভাবিক চোখে দেখব না? এটা অন্যায্য। আমিই এর প্রথম কিংবা শেষ শিকার নই।’