বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
সপ্তাহের ব্যবধানে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ডিম, মুরগি, মাছ ও কাঁচা মরিচের দাম। এসব পণ্যের দাম কেজি প্রতি ১০-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে ভোক্তারা চালের বাজারে গিয়ে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন। স্বর্ণা, ব্রি আটাশ ও পাইজাম চালের দাম কেজিতে কমেছে ২-৩ টাকা। আর নতুন আসা সুগন্ধি চালের দাম কমেছে কেজিতে ৮-১০ টাকা করে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে মোহাম্মদপুর কাঁচাবাজার, কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর ও কাঁঠালবাগান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
কাঁঠালবাগান বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী ইউসুফ দেশ রূপান্তরকে জানান, মাঝে কিছুদিন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৫০-১৫৫ টাকায় বিক্রি করেছেন। গেল কয়েক দিনে দাম বেড়ে ব্রয়লার মুরগি ১৭৫-১৮০, পাকিস্তানি লাল মুরগি ২৮০-৩০০ ও দেশি মুরগি ৫১০-৫৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগি ছাড়াও গরুর মাংস ৭০০, ছাগলের মাংস ৯০০-১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের মাছের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০-১৫ টাকা। বড় আকারের রুই মাছের কেজি ৩০০-৩১০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গত সপ্তাহে ছিল ২৮০-২৯০ টাকা। এ ছাড়া ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম কেজি ৫০০-৫৫০, এক কেজি ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৫০, পাঙাশ ১৯০-২০০, বড় তেলাপিয়া ২০০, কই মাছ ২২০, মৃগেল মাছ ২০০-২১০ ও নলা মাছ ২৫০-২৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। মাছ ব্যবসায়ীরা বলেন, চাহিদার তুলনায় বাজার সরবরাহ কম থাকায় সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে। শান্তিনগর বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম ১২০-১২৫ টাকা ডজন দরে বিক্রি হয়েছে। যা গত সপ্তাহে ছিল ১১০ টাকা।
বাজারে নতুন আসা সুগন্ধি চাল বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১১৫-১১৭ টাকা দরে।
মানভেদে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬০, লম্বা বেগুন ৬০, ফুলকপি একটি ৩০-৩৫, পাতাকপি একটি ৩০, দেশি জাতের করলা ৭০-৮০ টাকা কেজি, চালকুমড়া একটি ৪০-৫০ টাকা, লাউ আকারভেদে বিক্রি হয়েছে প্রতিটি ৫০-৫৫ টাকায়। মিষ্টিকুমড়ার কেজি ৪০-৫০, মুলা ৩৫-৪০, কাঁচা মরিচ ৯০-১০৫, জাতভেদে প্রতি কেজি শিম ২৫-৪৫, কাঁচকলা প্রতি হালি ৩০-৪০, শসা ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।