শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

ক্যানসার ধরা পড়ার পর মৃত্যুই চেয়েছিলেন সঞ্জয় দত্ত

ক্যানসার থাবা বসালে পরিবারে দাগ রেখে যায়। মা যকৃতের ক্যানসারে মারা গিয়েছিলেন। তাকে চোখের সামনে তিলে তিলে শেষ হতে দেখেন সঞ্জয় দত্ত। তার পর স্ত্রী রিচা শর্মা! তিনিও মস্তিষ্কের ক্যানসারে মারা যান। তাই নিজের যখন ক্যানসার ধরা পড়ল, সঞ্জয় অত্যন্ত নিস্পৃহ হয়ে যান। ভেবেছিলেন; এই সুযোগ, মৃত্যু এলে আসুক।

২০২০ সাল। ‘শমশের’-এরর শুটিং চলছে। তখনই সঞ্জয় জানতে পারেন তার ক্যানসার হয়েছে। একটুও বিচলিত হননি। কাজ করতে লাগলেন চুপচাপ। তার পর ছবির প্রচারে এসে নিজ মুখেই জানালেন, মারণরোগ বাসা বেঁধেছিল, কিন্তু তিনি পাত্তা দেননি। চিকিৎসকের কাছেও যেতে চাননি। যদিও তার বোন প্রিয়াঙ্কা দত্ত দায়িত্ব নিয়ে সব কিছুর ব্যবস্থা করান। বেঁচে যান সঞ্জয়।

করোনা আবহ, লকডাউন চলছে তখন। কোনো এক অলস দুপুরে স্নান সেরে সিঁড়ি দিয়ে উঠছিলেন ‘মুন্নাভাই’। হঠাৎ বোন প্রিয়াঙ্কা এসে দাদাকে দুঃসংবাদ দেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট বলছে ক্যানসার হয়েছে সঞ্জয়ের। শুনে কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে থাকেন তিনি, তার পরই ঝেড়ে ফেলেন।

পরে দফায় দফায় আরও স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এক্স রে রিপোর্ট আসতে দেখা গেল, ফুসফুসের অর্ধেক পানিভর্তি। পরিবারের আশা ছিল, হয়তো যক্ষ্মা হয়েছে অভিনেতার। কিন্তু না, পরে জানা গেল ক্যানসারই।

২০২০ সালের আগস্টে সঞ্জয় সোশালে লিখেছিলেন, ‘আমার ছেলে-মেয়েদের সব থেকে ভালো উপহার দিতে চলেছি। নিশ্চিতভাবে বেঁচে ফিরব আমি।’ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিন বছর আগের সেই স্মৃতির শেয়ার করেন। কিভাবে মারণরোগের সঙ্গে লড়াই করেন তিনি, কেমন করে কেমোথেরাপি নিয়েও করছিলেন শরীরচর্চা— সব।

সঞ্জয় ভেবেছিলেন বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করাবেন। কিন্তু ভিসা পাননি। পরে অভিনেতা হৃত্বিক রোশনের বাবা, অভিনেতা-প্রযোজক রাকেশ রোশন ভালো এক ক্যানসার বিশেষজ্ঞের খোঁজ দেন। সঞ্জয় হেসে বলেন, যখন ডাক্তার তাকে চুল পড়া এবং বমির বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন, তখন তিনিও বলেছিলেন ‘মেরেকো কুছ না হোগা (আমার কিছুই হবে না)।’ শুধু তা-ই নয়, প্রতিবার কেমোথেরাপির পরে রোজ এক ঘণ্টা বসে বসে সাইকেল চালাতেন অভিনেতা। দুবাইয়ে কেমোথেরাপি নিতেন। তার পরে দু-তিন ঘণ্টা ব্যাডমিন্টন খেলতেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com