বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার পর্যায়ক্রমে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির অংশীদারিত্ব বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ায়, প্রকল্পটি এই উৎসের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের নতুন পথ দেখাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশের জ্বালানি মিশ্রণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবদান ক্রমেই বাড়ছে। নসরুল হামিদ অবশ্য বলেন যে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ এখন ১০০% বিদ্যুতায়নের আওতায় রয়েছে। আমরা সফলভাবে দুর্গম পাহাড় থেকে বিচ্ছিন্ন চর এলাকা পর্যন্ত সব মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি’।
২০২২ সালের ৩১শে মার্চ নসরুল হামিদ এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এই লক্ষ্যে পাওয়ার পারচেজ এগ্রিমেন্ট (পিপিএ) এবং ইমপ্লিমেন্টেশন এগ্রিমেন্ট (আইএ) করা হয়েছিল ২০১৪ সালের ১৫ মে।
কক্সবাজার ৬০ মেগাওয়াট উইন্ড পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রজেক্টের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হেই ঝাও (ব্রেট) বলেন, ইউএস-ডিকে গ্রিন এনার্জি (বিডি) লিমিটেড প্ল্যান্টটির উন্নয়নে ১১৬.৫১ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। তিনি বলেন, এই আধুনিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে, যার উৎপাদন ক্ষমতা ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ থাকবে।