শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীদের গাল ধরে টানেন শিক্ষক

কক্সবাজারের টেকনাফে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ওই শিক্ষকের নাম কামাল উদ্দিন। তিনি উপজেলার হ্নীলা ইউপির রঙ্গীখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। প্রধান শিক্ষকের প্রশ্রয়ে এমন গর্হিত কাজ করার সাহস পাচ্ছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ উঠেছে, সহকারী শিক্ষক কামাল উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে শ্রেণিকক্ষে পড়ানোর সময় বড় মেয়েদের গাল ধরে টানাটানি করেন এবং স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে হয়রানি করেন। প্রতিদিন ছাত্রীদের সঙ্গে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ গর্হিত কাজ করে বলে একাধিক ছাত্রীরা জানিয়েছেন।

হালিমা আক্তার (ছদ্মনাম) নামে একজন ছাত্রী জানান, কামাল উদ্দিন স্যার, আমাদের গাল ধরে টেনে টেনে ‘জামাই কে’ জিজ্ঞেস করেন। সব সময় ওই শিক্ষক আমাদের ওপর অত্যাচার চালান। এগুলো আমাদের লজ্জা লাগে। আমরা ওনার শাস্তি চাই।

ওই স্কুল থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক কামাল উদ্দিনকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছেন ছাত্রছাত্রী ও স্থানীয়রা।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল আড়াইটার দিকে সরেজমিনে গেলে, গণমাধ্যমকর্মী দেখে ক্লাস থেকে পালিয়ে যান অভিযুক্ত শিক্ষক কামাল উদ্দিন। পরে কয়েকজন ছাত্রছাত্রী দৌড়ে এসে এই প্রতিবেদককে জানান, তিনি বাথরুমে ঢুকে দরজা আটকিয়ে দিয়েছেন। এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অভিযুক্ত শিক্ষক বাথরুম থেকে বের না হওয়ায় সরাসরি কথা বলার সুযোগ হয়নি।

পরে অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক কামাল উদ্দিন বলেন, এগুলো ষড়যন্ত্র।

ইতিপূর্বে কেন মুচলেকা দিয়েছেন জানতে চাইলে কোনো সৎ উত্তর দিতে পারেননি তিনি। সাংবাদিক দেখে ক্লাস ছেড়ে বাথরুমে পালানোর কথা জানতে চাইলে জানান, মেম্বারের সঙ্গে নাকি বাথরুমের ভেতরে কথা বলতে গেছেন।

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা জানান, ওই শিক্ষক আসার পর থেকে ওনার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ একাধিকবার উঠেছে, কিন্তু রহস্যজনক কারণে প্রতিবারই ধামাচাপা পড়ে যায়, শাস্তিমূলক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি একবারও।

প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন ইতিপূর্বে অভিযুক্ত কামাল উদ্দিন থেকে মুচলেকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কাজের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেই তো মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।

প্রধান শিক্ষকের প্রশ্রয়ের কথা জানতে চাইলে তিনি চুপ করে থাকেন, কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অশীষ বোস জানান, অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও ) বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com