নগরকণ্ঠ ডেস্ক
- শুক্রবার ১০ মার্চ, ২০২৩ /
আজ শুক্রবার (১০ মার্চ) নগরের রেজিস্ট্রারি মাঠে সকাল ১০টায় শুরু হওয়া সিলেট মহানগর বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, তাদের একটা ভালো কাজ দেখাতে পারবেন না। বাংলাদেশের সমাজকে পুরোপুরি বিভক্ত করে এরা একটা দূষিত সমাজে পরিণত করেছে। আওয়ামী লীগ শক্তি দিয়ে অন্যায়ভাবে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে দেশ পরিচালনা করছে। তারা আমাদের সব অর্জনগুলোকে কেড়ে নিয়েছে, এদের পরাজিত করতে হবে। এদের বিতাড়িত করতে হবে। পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে।
ফখরুল বলেন, সম্মেলন এমন একসময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন সারা দেশে নির্যাতন-নিপীড়ন চলছে। আমাদের ১৭ জন নেতা-কর্মী রাজপথে প্রাণ দিয়েছেন। শত শত নেতা-কর্মীকে আহত করা হয়েছে। হাজারো নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপরও আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না। যেভাবেই হোক, ভয়াবহতা থামাতে হবে। যারা এই দলের জন্য রক্ত দিয়েছেন, তাদের ঋণ শোধ করার সময় এসেছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বড় ক্ষতি যেগুলো করেছে, এর মধ্যে ১৯৭২ সালের যে সংবিধান এ দেশের মানুষ রচনা করেছিল, যে সংবিধান সবাই মেনে নিয়েছিল, সেই সংবিধানকে বারবার কাটাছেঁড়া করে একটি অকার্যকর সংবিধানে পরিণত করেছে। যারা যুদ্ধ করেছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তারা এই সংবিধান দেখতে চাননি। ১৯৭২-এর সংবিধানের মৌলিক যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল ব্যবস্থা, ১৯৭৫ সালে তা বন্ধ করে দিয়ে তারা একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, তারা সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ এবং পত্রপত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা চালু করেছিল। আর তারা যখনই ক্ষমতায় আসার সুযোগ পেয়েছে, তখনই তারা সংবিধানে হাত দিয়েছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করে কণ্ঠরোধ করেছে। তারা অর্থনীতি এমনভাবে ধ্বংস করেছে, টেনে তোলা অত্যন্ত কঠিন। আজ নিজেদের স্বার্থে, দুর্নীতির স্বার্থে, চুরি করার স্বার্থে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে।