মঙ্গলবার, ২৩ Jun ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

দেশ একটি সংঘাতময় পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে: জিএম কাদের

দেশ সংঘাতময় পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদের।

তিনি বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক উত্তেজনায় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা আছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি যে অবস্থানে আছে, সেখান থেকে তাদের আর ফিরে আসার সুযোগ নেই। যে দল সরে যাবেন সে দলই যেন বিলীন হয়ে যাবে। আবার, যে দল পরাজিত হবে সেই দলের যেন মৃত্যু হবে। এ বাস্তবতায় একটা বড় ধরনের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার নুর কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে মাদক প্রতিরোধ ও কল্যাণ সোসাইটির ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব বলেন।

জি এম কাদের আরো বলেন, আমরা সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করতেই রাজনীতি করছি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই যেন ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা থাকে। ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় এমন অবস্থা তৈরি হয়, ক্ষমতা হস্তান্তরের পরই যেন বড় ধরনের বিপদে পড়তে হবে। তাই স্বাভাবিকভাবে কেউ ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চায় না। ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় একটি অনিশ্চিত ও সাংঘর্ষিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আমরা এমন পরিস্থিতি চাই না।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ইভিএমে নির্বাচন আমরা চাই না। কারণ ইভিএমে নির্বাচনে কারচুপির সুযোগ আছে। আমরা মনে করি, যারা নির্বাচনে জড়িত তারা দলীয়করণের মধ্যেই আছেন। তাদের হাতে ইভিএমের রেজাল্ট পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। আমরা মনে করি ইভিএমের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল বদলে দেওয়া যায়।

জি এম কাদের বলেন, ব্যবসায়ীরা এখন রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে। আবার মাদকের ব্যবসা সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা। তাই দেখা যায় ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও প্রভাবশালীরা মাদক বিস্তারে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। এ কারণে দেশে মাদকের বিস্তার কমছে না। মাদক প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে বিনা বিচারে অনেককে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু মাদক নির্মূল করা যায়নি। এখন চা ও মুদি দোকানেও মাদক পাওয়া যায়।

এ সময় জাপার কোচেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা বলেন, পরিবার থেকে মাদক প্রতিরোধে উদ্যোগ নিতে হবে। আমরা জাতিকে ধ্বংস হতে দেব না। জাতি রক্ষায় মাদকের বিস্তার রোধে পাড়া-মহল্লায় কমিটি গঠন করতে হবে।

মাদক প্রতিরোধ ও কল্যাণ সোসাইটি’র সভাপতি সেলিম নিজামীর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুস সবুর আসুদ, জহিরুল আলম রুবেল, ভাইস চেয়ারম্যান আমির উদ্দিন ডালু, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন দে প্রমূখ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com